Wednesday, October 5, 2022
বাড়িরাজ্যবিজেপি সরকার যা বলে তা করে দেখায় : সুশান্ত

বিজেপি সরকার যা বলে তা করে দেখায় : সুশান্ত

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৯ সেপ্টেম্বর :  ভীষণ ডকুমেন্ট অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা সামাজিক ভাতা ২০০০ টাকা করেছেন। সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ৫০০, ৭০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা এবং বর্তমানে সে ভাতা ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা করা হয়েছে। এই পুজোর মরশুমে গ্রাম অঞ্চলের মানুষের জন্য ১০০০ টাকা বৃদ্ধি অনেকটাই উপকারে আসবে। সোমবার সচিবালয় সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বললেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রাজ্যের মোট ৩২ টি সামাজিক ভাতা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ভাতা ন্যাশনাল সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামের আওতায়। রাজ্যের ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ১৯৭ জন ন্যাশনাল সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামের আওতায় সামাজিক ভাতা পাচ্ছে। এর বাইরে ২৯ টি ভাতা ত্রিপুরা রাজ্য সরকার বহন করছে। রাজ্য সরকারের আওতায় ২৯ টি সামাজিক ভাতার সুবিধা পাচ্ছে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ২১৮ জন বেনিফিসিয়ারি। সুতরাং রাজ্য সরকার এবং ন্যাশনাল সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামের আওতায় মোট ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৪১৫ জন বেনিফিশিয়ারি সামাজিক ভাতা পাচ্ছে। তারা বিগত দিন ১ হাজার টাকা করে ভাতা পেয়েছিল। আগামী অর্থ মাসের ১ তারিখ থেকে তারা দুই হাজার টাকা করে ভাতা পাবে। সরকার  ভাতা ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা করার ফলে প্রতি মাসে ব্যয় হবে ৩১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা। এবং বছরে সরকারের ব্যয় হবে ৬০৩.৮৯ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বাজেট সেশনে কন্যা সন্তানের ভাতার সহ এ ক্ষেত্রে ৭৬১.২৮ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে প্রতিবছর।

তিনি আরো বলেন সামাজিক ভাতা ২০০০ টাকা করে সরকার প্রমাণ করে দিয়েছে এ সরকার যা বলে তা করে দেখায়। এবং এই ভাতা বেনিফিশিয়ারিদের ঘরে ঘরে কিভাবে পৌঁছে দেওয়া যায় সেটা রাজ্য সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। কিন্তু এই ভাতা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল। তারা ভেবেছিল এই টাকা সরকার কোথা থেকে দেবে। কিন্তু সরকার ভীষণ ডকুমেন্ট অনুযায়ী ২০০০ টাকা করে দেখিয়েছে।

তিনি আরো বলেন ২০১৮ সালে রাজ্যে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রায় ৩৪ হাজার সামাজিক ভাতা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে স্পেশাল ড্রাইভের মাধ্যমে ভাতা পাওয়ার যোগ্য নয় এর সংখ্যাও বের করা হয়েছে। শুধু সামাজিক ভাতা নয় বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এমনও পরিবারকে বিপিএল কার্ড দেওয়া হয়েছিল যারা গরিব অংশের আওতায় পড়ে না। এদিন আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমাজ কল্যাণ এবং সমাজ শিক্ষা দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং এবং দপ্তরে অধিকর্তা সিদ্ধার্থ শিব জশোয়াল।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য