স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫: বালিশ চাপা দিয়ে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ। ঘটনা উদয়পুর খিলপাড়া স্থিত আমতলা এলাকায়। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে অভিযুক্ত স্বামীকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাঞ্জলি রায় সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা। পুলিশ গিয়ে দেখেন ঘরের মধ্যে এক মহিলার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশ আধিকারিক দেবাঞ্জলি রায় জানান, আজ থেকে সাড়ে তিন বছর আগে খিলপাড়া আমতলা এলাকার যুবক হাসান চৌধুরীর সঙ্গে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয় উদয়পুর মহারানী এলাকার সাকিন মিয়ার মেয়ে সাবনূর বেগমের। আড়াই বছরের একটি সন্তান ও রয়েছে তাদের।
বিয়ের পর মাঝে মধ্যে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হতো। তরুণী গৃহবধুর বাবা সাকিন মিয়া জানান, মেয়ের বিয়ের সময় সাধ্য মতো সব কিছু দিয়ে বিয়ে দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে মেয়েকে বি এড পড়িয়েছেন এবং চাকরির সন্ধান করছেন। বিয়ের পর থেকে লক্ষ্য করেন জামাতা প্রতিনিয়ত ড্রাগস সেবন করে বুদ হয়ে থাকে। বুধবার সকাল বেলা শাশুড়ি ফোন করে জানান। পরে মেয়ের বাড়িতে এসে জানতে পারেন ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু কোন রকম দড়ি উদ্ধার হয়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করেছে মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
এদিকে অভিযুক্ত স্বামী জানিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমের কমেন্ট নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল মঙ্গলবার রাতে। বুধবার ঘুম থেকে উঠে দেখেন স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ। অপরদিকে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জানান, পুলিশ প্রাথমিকভাবে কোন কিছুই বলতে পারছে না। গোটা বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ স্বামী হাসান চৌধুরীকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে সাবনূর বেগমকে গোমতী জেলার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের পর জানা যাবে মৃত্যুর রহস্য। এই দিকে সাবনূর মৃত্যুতে এলাকায় দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্য।

