বাড়িরাজ্যপ্রতিবছর দেশে দুই থেকে তিন মিলিয়ন রক্তের ইউনিট ঘাটতি থাকে : মন্ত্রী...

প্রতিবছর দেশে দুই থেকে তিন মিলিয়ন রক্তের ইউনিট ঘাটতি থাকে : মন্ত্রী সুধাংশু দাস

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ আগস্ট : রবিবার আগরতলার আড়ালিয়া স্থিত প্রজাপিতা ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দাদী প্রকাশমনির ১৮-তম প্রয়ান দিবস উপলক্ষে এক মেগা রক্ত দান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই শিবিরের উদ্বোধন করবেন মৎস্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্যন্দন পত্রিকা ও স্যন্দন টিভির সম্পাদক সুবল কুমার দে, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার, বিকে মনিকা বেহেনজী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সুধাংশু দাস বক্তব্য রেখে বলেন, গোটা বিশ্ব অনেক উন্নত হয়েছে।

অথচ মানব শরীরে রক্তের বিকল্প তৈরি করতে পারেনি। শুধুমাত্র একে অপরকে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচাতে পারে। কিন্তু দেশে প্রতি দুই সেকেন্ডে কোন না কোন রোগীর রক্তের প্রয়োজন হয়। দেশে প্রতিবছর ১১ মিলিয়ন রক্তের ইউনিটের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে জোগান রয়েছে মাত্র ৮ থেকে ৯ মিলিয়ন রক্তের ইউনিট। তাই এই ঘাটতি পূরণ করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে রক্তদানে। তিনি বলেন, রক্তদানে সকলকে এগিয়ে আসার জন্য আরও বেশি উৎসাহিত হতে হবে। কারণ মানুষ মানুষের জন্য বলে স্বামী বিবেকানন্দের বাণী শোনান মন্ত্রী সুধাংশু দাস। আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্যন্দন পত্রিকা ও স্যন্দন টিভির সম্পাদক সুবল কুমার দে বক্তব্য রেখে বলেন, ত্রিপুরায় রক্তদান নিয়ে যথেষ্ট প্রচার হয়েছে। যার কারণে রক্তের অভাব নেই রাজ্যে।

 কিন্তু রক্ত নিয়ে এখনও কিছু মানুষের মন থেকে ধর্ম, বর্ণ, ভয়, আতংক দূর করা যায়নি। কারণ যাদের মধ্যে এমন রয়েছে তাদের কাছে রক্তদানের ভয় কাটানোর মতো প্রচার নিয়ে যাওয়া যায়নি। তারা যখন বুঝবে রক্তদানের গুরুত্ব তখন রাজ্যের ব্লাড ব্যাংকগুলির মধ্যে আর রক্তশূন্য হবে না। কিন্তু রক্তের জন্য কোন এক সময় দেড় থেকে দু- হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়েছে মানুষকে। তিনি নিজ অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, ইউরোপ সফরে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেছেন হাসপাতালে পাশে রক্তদান করার ব্যবস্থা রয়েছে। যার যখন প্রয়োজন বা ইচ্ছে তখন গিয়ে রক্ত দিচ্ছে। দুঃখ প্রকাশ করে বলেন ইউরোপের মতো জায়গায় গিয়ে আমরা এখনো পৌঁছাতে পারি নি। তিনি আরো বলেন, রক্ত দিতে হবে নিজে রোগ মুক্ত থেকে বাঁচার জন্য। এইদিন উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে মেগা রক্তদান শিবিরটি সারা দেশব্যাপী গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের স্থান পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে মানব কল্যানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য