Thursday, February 5, 2026
বাড়িবিশ্ব সংবাদভেনেজুয়েলা আবহে ভারতকে বড় বার্তা ট্রাম্পের

ভেনেজুয়েলা আবহে ভারতকে বড় বার্তা ট্রাম্পের

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ০৫ জানুয়ারি : বছর শেষের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরসঙ্গে ফোনে কথা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মনে করা হচ্ছিল, অবশেষে মিলতে পারে বাণিজ্য চুক্তির সমাধান। কিন্তু, বছর ঘুরতেই ট্রাম্পের গলায় শোনা গেল অন্য সুর। রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার কারণে ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “জানতেন আমি খুশি নই।”

রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি খুব ভালো মানুষ। তিনি জানতেন আমি খুশি নই। আমাকে খুশি করা গুরুত্বপূর্ণ। তারা বাণিজ্য করে, এবং আমরা খুব দ্রুত তাদের উপর শুল্ক বাড়াতে পারি।” গত বছর, ট্রাম্প তাঁর শুল্ক সাজা আরও তীব্র করেন। ভারতের উপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন এবং রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য আরও ২৫ শতাংশ জরিমানা আরোপ করেন। এর ফলে কিছু বিভাগে মোট শুল্ক ৫০ শতাংশে পৌঁছে যায়। এই পদক্ষেপের ফলে নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কের দ্রুত অবনতি হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। শুল্ক উত্তেজনা সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য তাদের যৌথ প্রচেষ্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এরপরেও, নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে।

ঘটনাচক্রে, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য-বৈঠক করতে যেদিন ভারতে আসে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি দল, সেই দিনই দুই নেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়। দু’জনেই, বিশ্বব্যাপী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, দুই দেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্বের উপরও জোর দেন তাঁরা। সেই সময়ে ট্রাম্পের চাপানো ‘ডেডলাইন’ নিয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ বলেন, “ডেডলাইন মেনে আমরা আলোচনা চালাই না!”

প্রথম দফায় আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা সফল হয়নি। তার পরেই ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। বেশি শুল্ক চাপানোর আরও একটি কারণ হল, ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনা। তা নিয়ে টানাপড়েনও চলে দুই দেশের মধ্যে। তবে পরবর্তীকালে আবার আলোচনা শুরু হয়। এবার কী ফের চাপ বাড়তে চলেছে ভারতের উপর? এই প্রশ্নই ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য