স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ২৬অগস্ট : আগামী সপ্তাহে চিনে বসতে চলেছে এসসিও সম্মেলন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্বাগত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। সব মিলিয়ে কুড়ির বেশি বিশ্বনেতা উপস্থিত থাকবেন সম্মেলনে। নিশ্চিত ভাবেই গ্লোবাল সাউথের উত্থানের এই ছবিতে অস্বস্তিতে পড়বেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ওই সামিট। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম মোদি চিনে যাবেন। এক মঞ্চে পুতিন-জিনপিং ও মোদির সহাবস্থান কূটনৈতিক ভাবে তারপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনেও মোদি ও পুতিনকে একমঞ্চে দেখা গিয়েছে। যেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমী দুনিয়ার নেতারা মুখ ফিরিয়েছেন পুতিনের থেকে, সেখানে ভারত ‘বন্ধু’র হাত ছাড়েনি। গত সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে ভারতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত বলেছেন, শিগগিরি ভারত ও চিনের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক করবে রাশিয়া।
এদিকে চিনের এক গবেষণা সংস্থার সম্পাদক এরিক ওলান্ডার বলছেন, ”জিনপিং চাইছেন সম্মেলনকে ব্যবহার করে মার্কিন আধিপত্য থেকে মুক্ত আন্তর্জাতিক দুনিয়ার ছবিটা কেমন হতে চলেছে তা তুলে ধরা। মনে রাখতে হবে গত জানুয়ারি থেকে চিন, ইরান, রাশিয়ার পর ভারতের বিরুদ্ধেও আক্রমণাত্মক হয়েছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এতে কোনও প্রভাব পড়েনি।”
উল্লেখ্য, মার্কিন আগ্রাসনকে পাল্লা দিতে ভারত ও চিনকে একজোট হওয়ার বার্তা একাধিকবার এসেছে বেজিংয়ের তরফে। হাতে হাত মিলিয়ে বিশ্বকে হাতি ও ড্রাগনের নাচ দেখানোর বার্তা দিয়েছিল চিন। এই অবস্থায় মোদির এই সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য এসসিও সম্মেলন হলেও এর নেপথ্যে অন্য অঙ্ক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

