Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যরাজ্যেও অঙ্গদানের হার বৃদ্ধি করতে হবে, অঙ্গদানের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে...

রাজ্যেও অঙ্গদানের হার বৃদ্ধি করতে হবে, অঙ্গদানের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩ আগস্ট :  সময়ের সাথে সাথে উন্নত হয়েছে বিজ্ঞান প্রযুক্তি সবকিছুর। চিকিৎসা পরিষেবায় এসেছে নয়া বিপ্লব। মানব দেহে লিভার, কিডনি থেকে বর্তমানে প্রায় সবকিছু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। এমনকি কৃত্রিম হাত-পাও বর্তমানে মানব দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকে। তবে এই অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বিষয়ে মানুষ এখনো সেই ভাবে সচেতন নয়। যার কারনে এখনো মানুষ অঙ্গ দানের ক্ষেত্রে কিছুটা ভয় পেয়ে থাকে। একজন ব্রেইন ডেড রোগীর অঙ্গ দান করলে অনেক গুলি রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব।

 কিন্তু মানুষের সচেতনতার অভাবে সেইটা এখনো সেই ভাবে প্রচলন হয় নি। যেমনটা বর্তমান সময়ে হওয়ার কথা। ৩ আগস্ট অঙ্গদান দিবস। রাজ্যেও দিনটি পালন করা হয়। অঙ্গদান দিবস উপলক্ষ্যে রবিবার রাজধানী আগরতলা শহরে এক পদ যাত্রার আয়োজন করা হয়। আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের উদ্যোগে এই সচেতনতা মূলক পদ যাত্রার আয়োজন করা হয়। রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় এই পদযাত্রা। পদ যাত্রার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সহ অন্যান্যরা। উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন অঙ্গদানের বিষয়ে জন সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

 ভারতে প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ কিডনি জনিত রোগে ভুগছে। ২০২৩ সালে সমগ্র দেশে মাত্র ১৩ হাজার ৪২৬ টি কিডনি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। প্রতি বছর ২৫ থেকে ৩০ হাজার লোকের লিভার প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন। কিন্তু বছরে মাত্র ৪ হাজার ৪৯১ জনের লিভার প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়। অঙ্গদাতাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একই সাথে অঙ্গদানে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বর্তমানে স্কুল কলেজ সহ বিভিন্ন জায়গায় অঙ্গদানের বিষয়ে জন সচেতনতা মূলক শিবির করা হয়। অঙ্গদানের বিষয়ে মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন করার উপর গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন রাজ্যে অঙ্গদানের শতকরা হার বৃদ্ধি করতে হবে। এইদিন মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট অঙ্গ দানের বিষয়ে এখনো মানুষ সচেতন নয়। যার কারনে প্রয়োজন অনুযায়ী অঙ্গদাতা পাওয়া যায় না। এইদিন উদ্বোধনি অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী পদ যাত্রার সুচনা করেন। পদ যাত্রায় ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের সকল স্তরের কর্মীরা অংশগ্রহণ করে। পদযাত্রাটি আগরতলা শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য