স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৫ জুন : শিল্প দপ্তরের অধীন বিভিন্ন কারখানা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। কি কারনে সেগুলি বন্ধ হয়ে রয়েছে, বিকল্প কোন কারখানা সেই জায়গা স্থাপন করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার আগরতলা বাধারঘাট শিল্প এলাকা পরিদর্শন করে বিধানসভার পাবলিক আন্ডারেটেকিং কমিটি। ১১ সদস্যক কমিটির চেয়ারম্যান বিধায়ক চিত্তরঞ্জন দেববর্মার নেতৃত্বে বিধায়ক দীপঙ্কর সেন, মিনারানী সরকার শৈলেন্দ্র নাথ এইদিন বন্ধ হয়ে থাকা কারখানা গুলি পরিদর্শন করেন। সাথে ছিলেন ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন নিগমের ভাইস চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায় সহ অন্যান্যরা।
বিধায়ক চিত্তরঞ্জন দেববর্মা জানান ১৩ মে বিধানসভার পাবলিক আন্ডারেটেকিং কমিটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে বন্ধ হয়ে থাকা কারখানা গুলির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয় বন্ধ হয়ে থাকা শিল্প কারখানা গুলি সরজমিনে খতিয়ে দেখার বিষয়ে। সেই মোতাবেক এইদিন বন্ধ হয়ে থাকা শিল্প কারখানা গুলি সরজমিনে ঘুরে দেখা হয়েছে। কথা প্রসঙ্গে বিধায়ক চিত্তরঞ্জন দেববর্মা এইদিন আরও বলেন নিয়মিত মদ্যপান হার্টের জন্য উপকারি। এলাকায় যে কান্ট্রি লিকার মদের কারখানাটি বন্ধ করা হয়েছে সেটা আদালতের নির্দেশ মেনে সরকার জাতীয় সড়ক থেকে ৫০০ মিটারের ভেতর হওয়ায় বন্ধ করেছে। বর্তমানে সরকার এখান সেখানে একটি পানীয় জলের কারখানা খোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। তিনি আরো বলেন, মিজোরামে মদ বিক্রির উপর বিশেষ নির্দেশিকা জারি করার ফলে সেখানে ড্রাগস সেবনের প্রকোপ বেড়েছে। এবং মদের উপর সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় হয়। বিধায়ক মদের সমর্থন করে এদিন জনজাতি অংশের মানুষের জন্য বলেন সরকার যাতে দেশী মদ বিক্রি করার জন্য জনজাতি মানুষদের সুযোগ দেয়। তাহলে তাদের আর্থিক বিকাশ হবে বলে মনে করেন বিধায়ক। বিধায়ক বলেন দেশি মদ খেয়ে কারোর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা নেই। রাজ্য সরকার দেশি মদের গবেষণা করে বাজারজাত করার জন্য উদ্যোগ নিতে পারে। এবং এই দেশী মত আয়ুর্বেদিক ওষুধের মদ কাজ করে। বিশেষ করে কলসে তৈরি দেশি মদ খেতে পারলে এক ঘন্টার মধ্যে প্রস্রাবের উপকারিতা পাওয়া যায় বলে জানান তিনি। বিধায়কের মদের অভিজ্ঞতা জনমনে অবশ্যই প্রশ্নের দানা বাঁধতে পারে।

