Wednesday, February 4, 2026
বাড়িরাজ্যটানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা

টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৮ মার্চ : আগামী ২২ মার্চ থেকে টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা। এর পেছনে মূলত কারণ হলো ব্যাংক সংগঠনগুলির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কিছু দাবি না মানার কারণে ছুটির দিনের সাথে পরিকল্পিত টানা ধর্মঘটে ডাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকের সংগঠনগুলি। গ্রাহকদের কথা না ভেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার বিকেলে আগরতলা প্রেস ক্লাবে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউ এফ বি ইউ সংগঠনের কনভেনার সঞ্জয় দত্ত জানান, ২৪-২৫ মার্চ সারা দেশব্যাপী ব্যাংক ধর্মঘটকে সামনে রেখেই এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন।

 বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দুদিন ব্যাপী ব্যাংক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তারা। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে রয়েছে সমস্ত ক্যাডারে পর্যাপ্ত নিয়োগ করা, সমস্ত অস্থায়ী কর্মচারীকে নিয়মিত করা, ব্যাংকিং শিল্পে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিনের কাজ বাস্তবায়ন করা, আয়কর থেকে অব্যাহতিসহ সরকারি কর্মচারীদের মতো গ্রেচুইটি  স্কিমের ঊর্ধ্বসীমা ২৫ লক্ষ টাকা বাড়ানোর জন্য গ্রেচুইটি আইন সংশোধন করা, ব্যাংক গুলিতে স্থায়ী চাকরির আউটসোর্সিং বন্ধ করা এবং ব্যাংকিং শিল্পে অন্যায্য শ্রম প্রথা বন্ধ করা। সাংবাদিক সম্মেলনে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস এর পক্ষ থেকে সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরে কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। ২০১৩ সালে সরকারি ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরে যে পরিমাণ কর্মচারী চাকরি করতেন, ২০২৪ সালের পরিসংখ্যানের দেখা যায় প্রায় এক লক্ষের উপরে কর্মচারীর সংখ্যা কমে গেছে। বেসরকারি ক্ষেত্রগুলোতে কর্মচারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে কর্মচারীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় কর্মী স্বল্পতার কারণে সরকারি ক্ষেত্র গুলোতে ব্যাংকিং পরিষেবা কে মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২২ মার্চ চতুর্থ শনিবার, ২৩ মার্চ রবিবার, ২৪ এবং ২৫ মার্চ ব্যাংকের সংগঠন গুলির টানা দুদিনের ধর্মঘট। সব মিলিয়ে চার দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক। কারণ অর্থনৈতিক বছরের শেষ পর্যায়ে গোটা দেশ। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় এই ব্যাংকের মাধ্যমে। অথচ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কিছু দাবির কারণে টানা দুদিন ছুটির সাথে এই পরিকল্পিত ধর্মঘটের পথে হেটেছে। এতে কঠিন পরিস্থিতি সম্মুখীন হবে সাধারণ মানুষ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য