স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৩ জানুয়ারি : ধর্মনগরেও প্রত্যাহার হলো লরি চালকদের ধর্মঘট। ধর্মনগর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিভ্রান্ত না ছড়াতে আহ্বান জানান বি এম এস ত্রিপুরা প্রদেশের প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মজদুর সংঘের সভাপতি বিপ্লব দাস। উত্তর জেলার বি এন এস এর সভাপতি সুব্রত রুদ্রপাল আরো বলেন, লরি চালকদের বিরুদ্ধে ন্যায় সংহতি প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ৩ জানুয়ারি আইএসবিটি এবং জেলাশাসকের অফিসের নিচে ধর্নায় বসবে লরি চালকরা। তবে কোন ধরনের বনধ সংঘটিত হবে না।
প্রতিটি মহকুমা এবং জেলাস্তরে এই ধরনা সংঘটিত হবে। ৪ জানুয়ারি থেকে সাত জানুয়ারি পর্যন্ত সংসদে এই বিলের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হবে। ৯ জানুয়ারি বি এম এস -এর পক্ষ থেকে রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি প্রদান করা হবে। ১০ জানুয়ারি জেলা ভিত্তিক কর্মসূচি রয়েছে। কর্মসূচিতে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হবে। ১১ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এই প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য চিঠির প্রদান করা হবে। ১২ই জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমা, জেলা এবং তরেস্তরে এর বিরোধিতা করে প্রতিবাদ জানানো হবে।
তারপর শ্রমিকদের স্বার্থে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রস্তাব বিবেচনার জন্য প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে। তবে কিছুসংখ্যক দুষ্কৃতী বি এম এস – এর নাম দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সভা করছে। বুধবার থেকে রাজ্যে লরি চালকরা লরি বন্ধ করে দেবে বলে যে হুমকি দিচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর। তাদের সাথে বি এম এস এর কোন যোগাযোগ নেই। অপরদিকে এ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্না প্রদর্শন করলো ত্রিপুরা প্রদেশ প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মজদুর মহাসংঘ। বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ কেন্দ্রীয় সরকারের কালা আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিলোনিয়া বনকর নদীর উত্তর পাড়ে এই ধর্না প্রদর্শন করে। হিট এন্ড রান বিল ২০২৩ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ভারতীয় মজদুর সংঘ। আজ থেকে চলবে ২৮ শে জানুয়ারি পর্যন্ত। কালা আইন প্রত্যাহার না হলে রাজ্যব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হবে বলে জানান ভারতীয় মজদুর সংঘের নেতৃত্ব। হিট এন্ড রান বিল ২০২৩ পার্লামেন্টে যে বিল এসেছে এই বিল সম্পূর্ন যানবাহন চালক ও শ্রমিকদের বিরোধী বলে মনে করছেন মজদুর সংঘ। এমনটাই অভিমত ব্যক্ত করে সংগঠনের নেতৃত্ব।

