Friday, February 6, 2026
বাড়িরাজ্যশহরের তিনটি দোকান সিল করলো প্রশাসন, পালিয়ে গেলেন এক ব্যবসায়ী

শহরের তিনটি দোকান সিল করলো প্রশাসন, পালিয়ে গেলেন এক ব্যবসায়ী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৫ জুলাই : মেয়াদোত্তীর্ণ মশলার সহ ব্যাপক অনিয়মের জন্য তিনটি দোকান জিবি বাজারে সিল করে দিল সদর মহকুমা প্রশাসন। পালিয়ে গেলেন ব্যবসায়ী। জানা যায়, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে

দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ক্রেতা সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে শনিবার সদর মহকুমা প্রশাসন ও খাদ্য দপ্তর যৌথ ভাবে অভিযান চালায় জিবি বাজারে। এইদিন খাদ্য দপ্তর ও সদর মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরা জিবি বাজারের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে খাদ্য সামগ্রীর মূল্য যাচাই করে দেখেন। এইদিন অভিযানকালে বাজেয়াপ্ত করা হয় মেয়াদ উত্তীর্ণ বিপুল পরিমাণ মশলা। প্রশাসনিক আধিকারিকরা এইদিন প্রত্যক্ষ করে একাধিক দোকানের ডিসপ্লে বোর্ডে স্টক ও মূল্য লেখা নেই। এইদিন জিবি বাজার এলাকার তিনটি দোকান সাময়িক কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এইদিনের অভিযানকারি দলে ছিলেন সদর মহকুমার ডি.সি.এম প্রদীপ কুমার ভৌমিক, ওজন ও পরিমাপ দপ্তরের রাম প্রসাদ চৌধুরী, মুখ্য খাদ্য পরিদর্শক শর্মিষ্ঠা দাস, দেবজ্যোতি চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা। সদর মহকুমার ডি.সি.এম প্রদীপ কুমার ভৌমিক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান এইদিন মুদির দোকান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও সবজি দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। তিনটি দোকান সিল করে দেওয়া হয়েছে। এই দোকানের মালিকদের কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। এই ধরনের অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চালানো হবে বলে জানান তিনি।

 তবে এদিন যে দোকানগুলিকে ব্যাপক অনিয়মের জন্য সিল করা হয়েছে সে দোকানগুলি হল নির্মলা স্টোর। নির্মলা স্টোরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা পাওয়া গেছে। দোকানে ডিসপ্লে বোর্ডের মধ্যে মূল্য এবং কত পরিমানে মজুদ রয়েছে তার কোন উল্লেখ ছিল না। দোকানের মালিক মনোরঞ্জন দেবনাথ ফুড লাইসেন্স পর্যন্ত দেখাতে পারেনি বলে জানা গেছে। আগরতলা শহরের মধ্যে এ ধরনের বহু অসাধু ব্যবসায়ী রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের মন চাইলেই অভিযান চালায়। শহরের প্রান কেন্দ্রে থাকা রেস্টুরেন্ট হোটেল সহ বিভিন্ন বাজার হাটের দোকান পারবে যদি এ ধরনের অভিযান নিয়মিত জারি রাখে তাহলে কিছুটা হল এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ন্ত্রণে থাকবে। না হলে যেভাবে তারা মাথা ছাড়া দিচ্ছে তাতে মানুষের জীবন হানির ঘটনাও সংঘটিত হতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞমহল। এবং এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শুধু অভিযান নয় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি উঠেছে। কারণ শহরের সিংহভাগ মানুষ এখন সন্ধ্যার পর হোটেল ও রেস্টুরেন্টের খাবারের উপর নির্ভরশীল। সেই সুযোগ নিয়ে রেস্টুরেন্ট এবং হোটেলে কর্ণধার রকমারি খাবারের অস্বাভাবিক মূল্য আদায় করছে ক্রেতাদের কাছ থেকে। নজরে থাকলেও কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না প্রশাসন। তবে এ ধরনের অভিযান আগামী দিনে কতটা অব্যাহত থাকবে সেটাই এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য