স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১০ জানুয়ারি : ভোট সন্ত্রাস থেকে মুক্ত নয় স্মার্ট সিটি। মঙ্গলবার রাজধানীর দশমীঘাট এলাকায় দলীয় প্রচার সজ্জা লাগাতে গিয়ে শাসকদলের বাধার সম্মুখীন হয় রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সি পি আই এম। শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে এসে পশ্চিম আগরতলা থানা ঘেরাও বিক্ষোভে সামিল হয় সিপিআইএম কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে বিজেপি ক্ষমতাশীল হওয়ার পর থেকে ত্রিপুরা রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই।
গত ৫৮ মাসে সংবিধান পর্যন্ত অচল হয়ে পড়েছে। যতগুলি নির্বাচন সংগঠিত হয়েছে সবগুলি প্রহসনে পরিণত হয়েছে। মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার পর্যন্ত প্রয়োগ করতে পারেনি। এখন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন আবার সিপিআইএম নির্বাচনি কাজ করতে শুরু করেছে তখন আবারো বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে যখন দশমী ঘাট এলাকায় দলীয় পতাকা রাস্তার পাশে লাগানো হয়েছিল তখন শাসক দলের দুর্বৃত্তরা এসে বাধা দেয়। শাসক দলের দুর্বৃত্তকে বক্তব্য এখানে কোন দলীয় পতাকা লাগানো যাবে না। তারপরেও সিপিআইএম কর্মীরা যখন দলীয় পতাকা লাগায় তখন শাসক দলের দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন জায়গা থেকে বাইক বাহিনী এনে জুড়ো করে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের মারধর করে। ঘটনায় আহত হয় দু তিনজন। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন বিজেপি জনবিশ্বাস রথযাত্রা শুরু করলেও তাদের মানুষের প্রতি বিশ্বাস নেই। তাই এ ধরনের আক্রমণ সংগঠিত করছে। বিজেপি’র আক্রমণ শেষ কথা হবে না, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ করতে হবে। আজকে এই ঘটনার প্রতিবাদে পশ্চিম থানা ঘেরাও করে দাবি জানানো হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বিশেষ করে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল যাতে তাদের আদর্শকে সামনে রেখে লড়াই করতে পারে সেই ব্যবস্থা পুলিশকে করতে হবে। পাশাপাশি তারা আরও জানান পুলিশ প্রশাসনের দুর্বলতা মেনে নেওয়া হবে না আসন্ন নির্বাচনে। এবং বাইক বাহিনী যদি ভাবে হুমকি এবং সন্ত্রাস করে সিপিআইএমের লড়াই রুখে দেবে তাহলে ভুল ভাবছে। ভয়ের পরিবেশ দিয়ে বিজেপি জয়ী হবে না। বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মানুষ জয়ী হবে বলে জানান তারা। দীর্ঘক্ষণ চলে থানা ঘেরাও। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

