স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ জুন : কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মনোহর লাল রাজ্য সকলের পর বিদ্যুৎ মাশুল এক ধাপে অনেকটাই বৃদ্ধি করা হয়। অথচ সাধারণ গ্রাহকদের ঘুমে রেখে এই বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি করা হয়। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামল ত্রিপুরা ইলেকট্রিকসিটি কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার বনমালীপুর স্থিত বিদ্যুৎ নিগমের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। সংগঠনের নেতৃত্ব সঞ্জয় চৌধুরী সহ পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল গিয়ে ম্যানেজিং ডাইরেক্টরের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে একাধিক দাবি তুলে ধরেন।
ডেপুটেশনের পর তারা জানান, ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে, কোন ধরণের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই টি এস ই সি এল মে মাস থেকে বিদ্যুতের মাশুল, ফিক্সড চার্জ, ডিউটি চার্জ প্রভৃতি হঠাৎ করে বাড়িয়ে দিয়েছে। যার ফলে প্রতিটি গ্রাহককে বাড়তি আর্থিক বোঝার সম্মুখীন হতে হবে। এবং এর প্রভাব বিগত মাসের বিদ্যুৎ বিল দিতে গিয়ে প্রত্যক্ষ করতে শুরু করেছে। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে টি ই সি এ । তাদের অভিযোগ বিরাট সংখ্যক মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।
পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সাথে সাথে নিতা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও আকাশছোঁয়া মুল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন বিপর্যস্ত। এমতাবস্থায় বিদ্যুতের মাশুল, ফিক্সড চার্জ ইত্যাদি বৃদ্ধি ঘটায় জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন রাজ্যের গ্রাহকদের স্বার্থে দাবি করে, অবিলম্বে বর্ধিত বিদ্যুৎ মাশুল, ফিক্সড চার্জ ও ডিউটি চার্জ প্রত্যাহার করতে হবে, ঘন ঘন লোডশ্যাডিং, লো ভল্টেজের সমস্যা দুর করতে হবে এবং সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ
পরিষেবার উন্নয়ন করতে হবে, বিদ্যুৎ পরিষেবার মান উন্নয়ন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইনম্যান নিয়োগ করতে হবে, গ্রাহকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ করতে হবে, পরিবহনজনিত ক্ষতি, বিদ্যুৎ চুরি, বকেয়া বিল অনাদায় ও মাত্রাতিরিক্ত প্রশাসনিক ব্যয়ের বোঝা গ্রাহকদের উপর চাপানো চলবে না।

