স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ এপ্রিল : মাত্র ১৩ দিনে খুলে পড়লো ঘটনা বিলোনিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভারত চন্দ্র নগর ব্লকের অন্তর্গত উত্তর বিলোনিয়া অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রের সিলিং! অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেল অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রের কচিকাঁচা পড়ুয়ারা। এই ঘটনায় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা উত্তর বিলোনিয়া অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্ৰহে যাওয়ার পর, ঘটনা আড়াল করতে বাকবিতণ্ডা জড়িয়ে পড়ে সুকান্ত নগর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের দুই সদস্য শ্রীকান্ত সেন ও আশিষ পাঠারি। একপ্রকার দেখে নেওয়ার হুমকি দেন দুই গেরুয়া ভক্ত।
বুধবার ছিল গড়িয়া পূজার ছুটি ঘটনাচক্রে সেই দিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কচিকাঁচা পড়ুয়া শিশুরা সহ কেন্দ্রের দিদিমনি অনুপস্থিত ছিলেন। যদি সেন্টার খোলা থাকতো, কচিকাঁচা পড়ুয়া শিশুরা সেন্টারে আসতো সেই সময় যদি সিলিং ভেঙ্গে পড়তো শিশুরা আহত হতো। এর দায়ভার কে নিত এমনই প্রশ্ন উঠছে অভিভাবক মহল থেকে শুরু করে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে। মাত্র এক মাস আগে এই কেন্দ্রের মেরামতের কাজ শুরু হয় গ্ৰাম উন্নয়নের প্রকল্প থেকে। এই মেরামতের কাজের আইও ছিলেন ভারত চন্দনগর ব্লকের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিনয় বনিক। এই ইঞ্জিনিয়ার বিনয় বনিকের কাজের সম্পর্কে গ্ৰাম পঞ্চায়েতের এলাকাবাসীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। সুকান্ত নগর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের কার্যালয়ে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট কম্পিউটার ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে নিম্মমানের অভিযোগ উঠে আসার পর সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা যাওয়ার পর শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিল ব্লকের ইঞ্জিনিয়ার তথা আইও বিনয় বনিক। প্রধান, উপপ্রধান সহ কিছু শাসক দলীয় মাতব্বরদের যোগসাজেশ করে ইঞ্জিনিয়ার বিনয় বনিককে শিখণ্ডী সাজিয়ে এই নিম্মমানের কাজ করে চলছে উন্নয়নের নামে। আর এরাই সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা যখন ঘটনার বিষয়ে ক্যামেরা বন্দী করতে যায় উন্নয়নের পাঠ দিয়ে, বিরোধীদের সাথে নাকি হাত মিলিয়ে উন্নয়নের কাজে বাধা দিচ্ছে বলে ধমক দেয় সংবাদ মাধ্যমকে। এলাকাতে গুঞ্জন রয়েছে শাসক দলের উপর থেকে নিচু তলার নেতৃত্ব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। যার ফলে সরকারের বদনাম হচ্ছে।

