বাড়িরাজ্যনির্মীয়মান ব্রীজের ভাঙ্গা অংশ পরিদর্শন করলেন সিপিআইএমের প্রতিনিধি দল

নির্মীয়মান ব্রীজের ভাঙ্গা অংশ পরিদর্শন করলেন সিপিআইএমের প্রতিনিধি দল

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ এপ্রিল:  উনকোটি জেলার পাবিয়াছড়া বিধানসভা ও ফটিকরায় বিধানসভার তেলিয়া গ্রাম থেকে সোনাইমুড়ি সংযোগকারী মনু নদীর উপর নির্মীয়মাণ একটা ব্রিজের অংশ ভেঙে পড়ায় শুক্রবার সি পি আই এমের এক প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। ডবল ইঞ্জিন সরকারে স্বচ্ছ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির মধ্যেই মাঝনদীতে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতুর বিরাট অংশ।

কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের বিরোধীদল গুলির। ঠিকাদারদের থেকে সরকার এবং মন্ত্রী-বিধায়কদের কাটমানি আদায়ের ফলেই এই ঘটনা বলে অভিযোগ। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিআইএম রাজ্য কমিটির অন্যতম নেতৃত্ব স্বপন কুমার বৈষ্ণব, প্রাক্তন বিধায়ক সমীরণ মালাকার, সিপি আই এম কুমারঘাট মহকুমা নেতৃত্ব সুব্রত দাস, প্রসেনজিৎ সিনহা, জয়দেব পাল, অপূর্ব রুদ্রপাল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। অভিযোগ উঠেছে, ২০১৭ সালে বাম শাসকদের আমলে প্রাক্তন পূর্ত দফতরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরীর হাত ধরে শিলান্যাস হয়েছিল এই কাজের। বর্তমান সরকারের সময়ে পুনরায় টেন্ডার করে কাজটি শুরু হয়। কাজের নিম্নমানের অভিযোগ তুলেন বাম নেতারা।

সরকার পালাবদলের পর, আগরতলার অশেষ দেবরায়ের বদলে, বহিরাজ্যের কলকাতার তাতিয়া কোম্পানিকে কাজটি দেওয়া হয়। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কুমারঘাট পূর্ত দপ্তরে গন ডেপুটেশনে প্রদান করা হবে বলে জানান বাম নেতৃত্ব। এ কাজের জন্য ছ’কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রায় ১৪০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি ব্রিজটির নির্মাণকাজ চলছিল। ৩৫ মিটার স্প্যানের সুপার-স্ট্রাকচার ঢালাইয়ের সময় আচমকাই ধসে পড়ে ব্রিজের অংশটি। আগাম বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় মাটির ভার বহন ক্ষমতা কমে যায়। ফলে অস্থায়ী স্টেজিং কাঠামো ভর নিতে না পেরে ভেঙে পড়ে। এই ব্রিজ নির্মাণ করছে কলকাতার বেসরকারি একটি নির্মাণ সংস্থা। প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। দপ্তরের আধিকারিকের দাবি, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হয়নি সেতু নির্মাণে। আন্ডারটেকিং অনুযায়ী, নিজেদের খরচেই পুনরায় সেতুটি তৈরি করবে বরাত প্রাপ্ত সংস্থা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য