স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ ফেব্রুয়ারি : ২০১৮ সালের পর রাজ্যের যতগুলি ধর্মঘট বামেদের শাখা সংগঠনের ডাকে হয়েছে সবগুলোই ধর্মঘটের দিন রাজ্যে দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকরা। ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যতিক্রম হবে না। চারটি শ্রমকোড বাতিল করা এবং মনরেগা পুনর্বহাল সহ একাধিক দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষ থেকে। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সোমবার আগরতলা শহরে আয়োজিত একজন সমাবেশ থেকে ঘোষণা দিয়েছেন পিকেটার হিসেবে ময়দানে থাকবে না এদিন দল।
কিন্তু এ ধর্মঘট পালন করতে গত এক মাস ধরে মানুষের বাড়ি-ঘরে এবং রাস্তায় ঘাটে সর্বত্র ঝড় তুলেছেন। কিন্তু ধর্মঘটের দিন প্রতিবারই তারা হাসির খোরাক হয়। মাঠে ময়দানে থাকে না কোন পিকেটার। যান চলাচল, বাজারহাট থেকে শুরু করে অফিস কাচারি সর্বত্র থাকে খোলা। হয়তো এর ব্যতিক্রম হবে না ১২ ফেব্রুয়ারি। মঙ্গলবার ধর্মঘটের সমর্থনে সাব্রুম মহকুমা দৌলবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়ী বাড়ী লিফলেট বন্টন করেন বামেরা। উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কৃষ্ণা রক্ষিত, সিপিআইএম দক্ষিন জেলা কমিটির সম্পাদক তাপস দত্ত, সিপিআইএম সাব্রুম মহকুমা কমিটির সম্পাদক অরুন ত্রিপুরা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
মানুষকে ধর্মঘট সফল করার জন্য আহ্বান জানান তারা। এদিকে প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে এই ধর্মঘটের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা। তিনি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রাক্তন সাংসদ রেবতী কুমার ত্রিপুরা বলেন গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ধর্মঘটের সমর্থনে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বামেরা। দেশের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে তাদের কোন দাবি দাওয়া নেই। ধর্মঘটের মাধ্যমে তারা জানান দিতে চাইছে দেশে তারা রয়েছে। ধর্মঘট হলে শ্রমজীবী ও গরিব অংশের মানুষের ক্ষতি হয়। ধর্মঘটের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয় না। দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য এই ধর্মঘট। সাধারন মানুষ এই ধর্মঘটকে মানবে না।

