স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ জানুয়ারি :সুশাসন জামানায় পাচার বাণিজ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে বিশালগড় মহকুমা এবং সোনামুড়া মহকুমা। গরু পাচার, কাপড় পাচার, চিনি পাচার সহ বিভিন্ন প্রচার বাণিজ্যের করিডর হয়ে গেছে এই মহকুমা গুলি। কিন্তু কিছু মেরুদণ্ড বাকা পুলিশের কারণে এবং বিএসএফের নজরদারির ত্রুটির কারণে অবাধে চলছে পাচার বাণিজ্য। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর দুপুরে বিশালগড় নিউ মার্কেট গরু বাজারে বিএসএফ-এর গাড়িতে ভাঙচুর ও বিএসএফ জওয়ানদের উপর আক্রমণ চালায় দুষ্কৃতিরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে থেকে বিশালগড় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় বেশ কিছুদিন পূর্বে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। বর্তমানে তারা জেল হেপাজতে রয়েছে।
এই মামলায় অপর অভিযুক্ত রিয়াজ মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অবশেষে দুর্গানগর হাসান হোসেন পাড়া থেকে সোমবার গভীর রাতে রিয়াজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে বিশালগড় থানার পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত রিয়াজ মিয়াকে বিশালগড় আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস জানান এই মামলায় আরও বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত রয়েছে। তাদেরকেও চিহ্নিত করে আগামী দিনে গ্রেপ্তার করা হবে। প্রশ্ন হল পাচার বাণিজ্যে কারা জড়িত এবং স্থানীয় কোন জনপ্রতিনিধিরা সহযোগিতা করছে সে বিষয়গুলি পুলিশের কাছে তথ্য সহকারে নাম ঠিকানা সবকিছুই আছে। কিন্তু, এই রাঘব বোয়ালদের পুলিশের জালে তোলা কঠিন। কারণ যাদের নাম পুলিশের তালিকায় রয়েছে তারা অধিকাংশই হেভিওয়েট নেতৃত্ব। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার দ্বারাই একমাত্র তদন্ত করা সম্ভব। এমনটাই মনে করছে সাধারণ মানুষ।

