স্যন্দন ডিজিটাল ১৯ তারিখ:- গত কিছুদিন ধরে উত্তেজনা ছিল। বারবার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা বলছিল দিল্লি। যার জেরে বন্ধ হয় ঢাকা, রাজশাহী, খুলনার ভিসাকেন্দ্র। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেই উত্তেজনা অগ্নিগর্ভ আকার ধারণ করল। বৃহস্পতিবার সন্ধে থেকে গোটা বাংলাদেশ পুড়ছে বিক্ষোভের আগুনে। ‘হাসিনা ফেরাও’ ধুয়ো তুলে প্রগতিশীল সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। জনতার রোষ থেকে রেহাই পায়নি ভারতীয় দূতাবাস, আওয়ামি লিগের দপ্তর। ধর্মনিরপেক্ষ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটে আগুন ধরানো হয়। প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবাদী কণ্ঠের নামে এই ভারত বিদ্বেষের নেপথ্যে কারা? পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই না চিন?
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশের দুই সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’ এবং ‘দ্য ডেলি স্টার’-এর দপ্তরে ভাঙচুরের পরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দ্রুত দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ভিতরে আটকে পড়া সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়। আটকে পড়া সাংবাদিকদের একাংশের অভিযোগ, পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকায় হামলা চালানোর সুযোগ পায় হিংসাত্মক আন্দোলনকারীরা। দমকল আরও দেরিতে এলে তাঁদের মৃত্যুও হতে পারত।
ঢাকায় যা সম্ভব হয়নি। খুলনায় তেমনটা ঘটেছে। সেখানে এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। এছাড়াও ময়মনসিংহে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে ভারত বিদ্বেষের বাংলাদেশে হামলা হয়েছে চট্টগ্রামের ভারতীয় উপদূতাবাসে। সেখানে দপ্তর লক্ষ্য করে ঢিল-পাটকেল ছোড়়ার অভিযোগ উঠেছে। রাত থেকে উপদূতাবাসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন ছাত্র-যুবদের একাংশ।

