স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৮ ডিসেম্বর : মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে প্রতিবছরের মত এ বছরও ককবরক ভাষা রোমান হরফের দাবিতে সরব হল জনজাতির দরদি ছাত্র সংগঠন। প্রতি বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার আগে ময়দানে সরব হয় জনদরদী নেতারা। বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়ে তারা আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তী সময় অজ্ঞাত কোন এক কারণবশত আন্দোলন নীরবে বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার মশাল মিছিলের করল টি এস এফ এবং টি আই এস এফের পক্ষ থেকে। রাজধানীর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দান থেকে শুরু হয় এই মিছিল।
শেষ হয় ঊজ্জয়ন্ত প্রাসাদের সামনে। উপস্থিত ছিলেন টিএসএফ -এর সাধারণ সম্পাদক জন দেববর্মা, হামলং জমাতিয়া। হামলং জমাতিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার জানিয়ে দিতে চায় তাদের দাবি যাতে পূরণ করেন। নাহলে তারা বিগত বছরের মত এ বছরও শান্তিপূর্ণভাবেই আন্দোলন করবে ককবরক ভাষা রোমান হরফের জন্য। উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমে তাদের জনজাতি দরদী নেতা তথা মুকুটহীন রাজার বক্তব্য শুনে যে ময়দানে শামিল হয়েছেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অংশ নিয়েছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, শহরের মধ্যে মশাল নিয়ে জঙ্গি মিছিল করার অনুমতি পুলিশ প্রশাসন কিভাবে দিল? পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাষার অধিকার নিয়ে যেকোনো ছাত্র সংগঠন কিংবা যে কেউ আন্দোলন করতেই পারে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে, কিন্তু শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য মশাল হাতে নিয়ে শত শত যুবক শহরের মধ্যে জঙ্গি মিছিল করার অনুমতি কিভাবে দেয় পুলিশ প্রশাসন? এদিন কোন ধরনের ঘটনা সংঘটিত হলে এর দায়ভার কে নিত প্রশ্ন সচেতন নাগরিকের?

