স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ ডিসেম্বর : মধ্যযুগীয় বর্বরতার খবর স্যন্দন পত্রিকা ও স্যন্দন টিভিতে প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসলো আমতলী থানার পুলিশ। চোর সন্দেহে তরুণী কনটেন্ট ক্রিয়েটার সহ দুই যুবককে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া এবং তরুণী কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিলাম। এই অভিযোগের মূলে বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। অভিযুক্তের নাম দেবাশীষ দে।
আমতলী থানার ওসি জানান সোমবার দুপুর ১ টা নাগাদ অশ্বিনী মার্কেট সংলগ্ন এলাকার তন্ময় মালাকার, মাসুম মিয়া সহ এক তরুণী কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হাপানিয়া দেবাশিষ দে-র বাড়িতে গিয়েছিল।
তাদেরকে চোর সন্দেহ করে এবং নেশা কারবারের সাথে জড়িত বলে সন্দেহ করে স্থানীয়রা আটক করে মারধর করে এবং তাদের মাথা মুন্ডন করে দেয় তিনজনকে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আক্রান্ত যুবতী আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ দেবাশিষ দে-কে আটক করেছে। মঙ্গলবার পুলিশ রিমান্ডের আর্জি জানিয়ে ধৃত দেবাশিষ দে-কে আদালতে সোপর্দ করে আমতলী থানার পুলিশ। একই সাথে প্রশ্ন উঠেছে তিনজনকে মারধর করার সময় পাশে পড়ে থাকা সেই সিরিঞ্জ ও ড্রাগসের কৌটা গুলি কোথা থেকে এসেছে? পুলিশ এইগুলি নিয়ে কোন তদন্ত করেছে কিনা? নাকি সাধারণ মানুষকে ঘুমে দেখে পুলিশ এবং অভিযুক্তদের মধ্যে সবটা গোপন রফাদফা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। নাহলে পুলিশ কেন সিরিঞ্জ ও ড্রাগসের কৌটা উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না।

