স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ২৪ নভেম্বর : প্রয়াত ধর্মেন্দ্র। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন অভিনেতা। নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র। যদিও পরিবারের তরফেএখনও কিছু জানানো হয়নি। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ‘পবনহংস’ শ্মশানে হল তাঁর অন্তেষ্ট্যিক্রিয়া।
প্রায় ১৫ দিন ধরেই চলছিল টানাপড়েন। শোনা গিয়েছিল, ধর্মেন্দ্রের স্বাস্থ্যের ক্রমশ অবনতি হচ্ছে এবং সেই কারণেই নাকি ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। এর পরেই অভিনেতাকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছোন স্ত্রী হেমা মালিনী। তার পর থেকেই উদ্বেগে অনুরাগীরা। তবে খবর মেলে, ভেন্টিলেশনের তথ্য ভুয়ো। অভিনেতার স্বাস্থ্যের খবর দেন ছেলে সানি দেওলের সহকারী। প্রতিক্রিয়া জানান হেমাও। শেষযাত্রায় প্রবীণ অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন আমির খান-সহ ইন্ডাস্ট্রির অনেকে। প্রযোজক-পরিচালক কর্ণ জোহর লিখেছেন, “একটা যুগের অবসান।”
মাঝে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরেছিলেন প্রবীণ অভিনেতা। মাঝে মৃত্যুর ভুয়ো খবরে অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছিলেন অভিনেতার পরিবারের সবাই। সেই সময় ছড়িয়ে পড়ে ধর্মেন্দ্রের প্রথম স্ত্রীর কান্নার একটি ভিডিয়ো। যে ভিডিয়ো দেখার পরে দর্শকের একাংশ ধরেই নিয়েছিলেন প্রবীণ অভিনেতা আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর পরিবারের তরফে মৃত্যুর খবর উড়িয়ে দেওয়া হয়।
২৪ নভেম্বরই প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর অভিনীত ‘ইক্কিস’ ছবিতে তাঁর চরিত্রের প্রথম ঝলক। এ দিনই তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ বিনোদন দুনিয়া। জন্মদিনের আগে এই খবর মেনে নিতে পারছে না নায়কের অনুরাগীরা। আগামী মাসের ৮ তারিখে ৯০ বছরে পা দেওয়ার কথা ছিল অভিনেতার। জন্মদিনের আগে ঘন ঘন হাসপাতালে ভর্তি হতেই তাঁকে নিয়ে উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিল অনুরাগীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।

