স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১১ নভেম্বর :উত্তর ত্রিপুরা জেলার পর এবার ঊনকোটি জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৪৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ জন বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই পরিস্থিতি নিয়ে জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডাঃ রোহন পাল বলেন, জেলা হাসপাতালে সারা বছরই ডেঙ্গু টেস্ট হয়ে থাকে।
তবে গত কয়েক সপ্তাহে পজিটিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বর্তমানে হাসপাতালে একাধিক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তবে এখনো পর্যন্ত কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। অনেকেই জ্বর হলে সরাসরি ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে নিচ্ছেন। এতে জ্বর কিছুটা কমলেও ঝুঁকি থেকেই যায়। আমরা সকলকে অনুরোধ করছি — জ্বর হলেই অবিলম্বে হাসপাতাল বা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে টেস্ট করান। ডেঙ্গু টেস্ট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়।”
তিনি নাগরীকদের প্রতি আহ্বান জানান,ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ। হীরার ছড়ায় পাহাড়ের নিচে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। সকলে যাতে বাড়ির আশপাশের জল জমে থাকা স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, মশারি ব্যবহার করার জন্য এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকে। এদিকে হীরাছড়া সহ আশপাশ এলাকায় আবর্জনা স্তূপ এবং দীর্ঘদিন ধরে জল জমাট বেঁধে আছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনও যথেষ্ট অসচেতন। যার কারণে অবাধে মশার বংশবিস্তার হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রশাসন থেকে মশা নিধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি উঠেছে সচেতন মহল থেকে।

