স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ নভেম্বর :গত ১৬ অক্টোবর মাসে জিরানিয়া রেল স্টেশন থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নেশা জাতীয় কফ সিরাপ। দিল্লি থেকে আগরতলাগামী মালবাহী রেলের দুইটি ওয়াগনার থেকে উদ্ধার হয় এই নেশা সামগ্রী। নেশা সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার পর বিরোধীরা অভিযোগ উত্থাপন করে এই নেশা সামগ্রী আমদানির সাথে রাঘব বোয়াল জড়িত রয়েছে। রেলে করে নেশা সামগ্রী আমদানির ঘটনা নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী নড়েচড়ে বসেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই নেশা সামগ্রী আমদানির দায়িত্ব দেওয়া হয় ক্রাইম ব্রাঞ্চকে। ক্রাইম ব্রাঞ্চ ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দিল্লি, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করে তিন জনকে।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা মান্তনু লোধ সাহা নামে আরও এক জনের নাম জানতে পারে। সোমবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা এক যোগে রাজধানীর ভোলাগিরি, হেরিটেজ পার্ক সংলগ্ন এলাকা ও তেলিয়ামুড়ায় শান্তনু লোধ সাহার তিন বাড়িতে হানা দেয়। জানা যায় ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা এইদিন মান্তনু লোধ সাহার তিন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করে। হেরিটেজ পার্ক সংলগ্ন বাড়িতে তার সঙ্গে কথাবার্তা বলে পুলিশের কাছে কিছু বিষয় অসংলগ্ন পায়। তারপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এন্টি নারকোটিক্স এএসপি সৌভিক দে জানান, আগরতলা জিআরপিএফ থানায় একটি মামলা হয়েছিল। এটার তদন্তে নেমে তল্লাশি করতে এসেছিল পুলিশ।
এ মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আজকে মান্তুনু সাহা নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তিনি আরো জানিয়েছেন যে ডকুমেন্টগুলি উদ্ধার হয়েছে সেগুলো স্ক্রুটিনি করা হবে। তারপর তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ক্রাইম ব্রাঞ্চ সূত্রে খবর, জিরানিয়া ফেন্সি কাণ্ডে আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে। তদন্তের সাথে নাম সামনে আনতে চাইছে না তারা। তাদের আটক করার জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সন্ধান চলছে।

