Wednesday, February 4, 2026
বাড়িরাজ্যবন্দে মাতরম সঙ্গীতের ১৫০ বর্ষ পূর্তি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : মুখ্যমন্ত্রী

বন্দে মাতরম সঙ্গীতের ১৫০ বর্ষ পূর্তি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ নভেম্বর :১৮৭০ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তৎকালীন পরাধীন ভারতবর্ষে দেশ প্রেমীকদের মধ্যে স্বদেশী মনোভাব জাগ্রত করার জন্য ‘বন্দেমাতরম’ সঙ্গীতটি সংস্কৃত ভাষায় কবিতা আকারে লিখেছিলেন। ১৮৭৫ সাল থেকে এই সংগীত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেশ প্রেমিকদের কন্ঠে ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস আনন্দমঠে এই ‘বন্দেমাতরম’ প্রকাশিত হয়েছিল। ১৮৯৬ সালে প্রথমবার বন্দেমাতরম সংগীতটি জনসম্মুখে গেয়েছিলেন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

পরাধীন ভারতকে ব্রিটিশদের শৃংখল থেকে মুক্ত করার জন্য দেশ প্রেমিকদের দারুন ভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল এই বন্দেমাতরম সংগীত। এই সংগীত ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে পরিচিত। বর্তমান সময় পর্যন্ত এই বন্দেমাতরম সংগীত গেছেন দেশের অগণিত সংগীতবিদ। সাত নভেম্বর তথা শুক্রবার বন্দে মাতরম সঙ্গীতের ১৫০ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজ্যের মূল অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মহাকরণ প্রাঙ্গণে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। ভারত মাতার পতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা হয়। অনুষ্ঠানে ১৫০ জন সঙ্গীত শিল্পীর কণ্ঠে এক সাথে বন্দে মাতরম সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

পরে সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বর্ষ পূর্তি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে এই সঙ্গীতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাই এটা স্মরণ করে দেশ জুড়ে এই সঙ্গীতের ১৫০ তম বর্ষ পূর্তি উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি স্বাধীন ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ বন্দে মাতরমকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করেন। বন্দে মাতরম সঙ্গীতের ১৫০ তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে বর্ষ ব্যাপী নানান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চারটি পর্যায়ে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। আয়োজিত অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব জে.কে সিনহা, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পি.কে চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন দপ্তরের সচিব ও আধিকারিকরা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য