স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩ নভেম্বর : সোমবার জিবিপি হাসপাতালে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিল্ডিং, সংক্রামক রোগ কেন্দ্র, ২০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষ ওয়ার্ডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তিনি এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালের কেএলএস অডিটোরিয়ামে সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট, লখনউয়ের সাথে টেলি-মেডিসিন সংযোগ এবং আন্তঃবিভাগীয় কল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডিজিটালভাবে উদ্বোধন করেন। এ জি এম সি এবং জিবিপি হাসপাতালের অডিটোরিয়াম হলে আয়োজিত এ দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অত্যন্ত তৎপর।
ডোনার মন্ত্রক থেকে ১৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে মা ও শিশু জন্য একটি বিল্ডিং নির্মাণ করতে। ডেন্টাল কলেজের জন্য আরও একটি বিল্ডিং এর প্রয়োজন আইজিএম হাসপাতালে। এর জন্য ২০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। বিশ্রামগঞ্জে আধুনিক মানের নেশা মুক্তি কেন্দ্র করার জন্য ১২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। বিশেষ করে ত্রিপুরায় যাতে একটি চক্ষু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয় তার জন্য দাবি করা হয়েছিল কেন্দ্র সরকারের কাছে। সে অনুযায়ী অনুমোদন পেয়েছে রাজ্য সরকার। আইএলএস হাসপাতাল সংলগ্নে রাস্তার পাশে গড়ে উঠবে এই ১০০ শয্যা বিশিষ্ট আইএলএস হাসপাতাল। এই হাসপাতালের ডিপিআর তৈরি করতে পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। কারণ চোখের কোন সমস্যা হলেই রাজ্যের মানুষ বাইরে চলে যায়। উন্নত মানের পরিষেবা প্রদান করার জন্য এবং রেটিনার অস্ত্র প্রচারের জন্য এই হাসপাতাল অত্যন্ত প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মানুষ যাতে আগরতলায় এসে পরিষেবা নিতে এসে রাত্রি যাপনে এবং খাবারের ক্ষেত্রে কোন ধরনের আর্থিক সমস্যায় না পড়ে তার জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই সংস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ভারতমাতা ক্যান্টিন ও নাইট সেল্টার। এর কাজ শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা একমাত্র রাজ্য যেখানে মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার মাধ্যমে ১০০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবা পাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নিজের ঢোল নিজে পেটাচ্ছে। কিন্তু মানুষের স্বার্থে ঢোল পেটানো হচ্ছে। মানুষ জানতে পারবে বর্তমান সরকার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য কি কি করেছে। কারণ কোন রোগ হলে চিকিৎসার জন্য মানুষ রাজ্যের বাইরে চলে যায়। এর জন্য রাজ্যে দালালরা বসে আছে। তাই সরকার প্রচারের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী চালু হওয়া বিভিন্ন পরিষেবা ঘুরে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, জিবি হাসপাতালের এম এস শংকর চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।

