স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৬ অক্টোবর : উপজাতি যুব ফেডারেশন-এর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ‘দশরথ দেববর্মা স্মারক বক্তব্যের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর মুক্ত ধারা অডিটোরিয়ামে এই বক্তব্যের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন রাজন্য আমলে জনশিক্ষা আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য ত্রিপুর সংঘ গঠন করা হয়েছিল। যদিও সেই ত্রিপুর সংঘতে জন শিক্ষা আন্দোলনের কয়েকজন নেতৃত্বকে রাখা হয়েছিল।
যদিও পরবর্তী সময় মহারাজ বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর জন শিক্ষা আন্দোলনের নেতৃত্বদের ত্রিপুরা সংঘ থেকে বের করে দেন। এমন কি তাদেরকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময় রাজার মৃত্যুর সাথে সাথে ত্রিপুর সংঘেরও মৃত্যু হয়। পরবর্তী সময় ১৯৪৮ সালে গন মুক্তি পরিষদ গঠন হয়। ত্রিপুরা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ঠিক আগে দিল্লি থেকে রাজ্যে প্রেরন করা হয় নানজাপ্পা নামে এক অফিসারকে। তিনি ছিলেন তেলেঙ্গানা বিদ্রোহ দমনকারী পুলিশ অফিসারদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি রাজ্যে এসে গন মুক্তি পরিষদের আন্দোলনকে দমন করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। গ্রামীণ বাজার গুলিতে উপজাতিদের উঠতে দেওয়া হচ্ছিল না। তখন গনমুক্তি পরিষদ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলে। শুরু হয় বামপন্থী আন্দোলন। পরবর্তী সময় বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। জিতেন্দ্র চৌধুরী এইদিন রাজ্য সরকারেরও তীব্র সমালোচনা করেন। এইদিনের ‘দশরথ দেববর্মা স্মারক বক্তব্য অনুষ্ঠানে জিতেন্দ্র চৌধুরী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ, ডি.ওয়াই.এফ.আই-র রাজ্য সম্পাদক সহ অন্যান্যরা।

