স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ সেপ্টেম্বর : বাঁকা পথে ডুম্বুর জলাশয়ের মাছ বিভিন্ন বাজারে রপ্তানি করে চলেছে স্থানীয় কিছু মৎস্য ব্যবসায়ী। তা নিয়ে নতুন করে ঝামেলা সৃষ্টি হলো শনিবার। জানা যায়, স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে এক সংস্থার মাধ্যমে আগরতলা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ডম্বুর জলাশয়ের মাছ। মাছ না পেয়ে শনিবার সকালে যতনবাড়ি তীর্থমুখ রাস্তা অবরোধ করে বসে বিক্ষুব্ধ মৎস্য ব্যবসায়ীরা। অবরোধ স্থলে মৎস্য দপ্তরের এক আধিকারিককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আন্দোলনকারীরা।
কিন্তু সকাল থেকে টানা পাঁচ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলও রাস্তা অবরোধ করে বসে থাকা বিক্ষুব্ধ মৎস্য ব্যবসায়ীরা এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। পরবর্তী সময়ে অমরপুর মহকুমার পুলিশ আধিকারিক নির্মাণ দাস, নতুনবাজার থানার পুলিশ ও মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক অঘোর দেববর্মা ঘটনাস্থল ছুটে আসেন। মৎস্য ব্যবসায়ীদের সমস্যা কথা শুনে মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক অঘোর দেববর্মা মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাল থেকে মাছ দেওয়া হবে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন। এক ব্যবসায়ী জানান গত ১১ সেপ্টেম্বর ফিশারি অফিসে একটি বৈঠক করে মৎস্য চাষীদের জানিয়ে দেওয়া হয় ডুমুর জলাশয়ের মাছ আগরতলা নিয়ে যেতে একটি বেসরকারি সংস্থার সাথে তারা চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। স্থানীয়দের একটি মাছও তারা যাবে না।
এতে তাদের প্রশ্ন কিভাবে তারা বাঁচবে? আজকে তাদের সাথে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। মৎস্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, সরকার সবাইকে মাছ খাওয়াতে চায়। সারা রাজ্যে ডুম্বুর জলাশয়ের মাছের চাহিদা থাকে। সুতরাং এই মাছের দাবিদার শুধুমাত্র এলাকাবাসী নয়। আগরতলা মহারাজগঞ্জ বাজারে সরকারি মাছের জন্য একটি কাউন্টার খোলা হয়েছে। সেখানে ডুম্বুর জলাশয়ের মাছ পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় কেউ কেউ চাইছে এখনো বাজারগুলোতে বাঁকা পথে ডুম্বুর জলাশয়ের মাছ পাঠাতে। এটা আর কোনভাবেই সম্ভব নয়। অবশেষে মৎস্য ব্যবসায়ীরা পথ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এদিকে অবরোধে আটকে পড়া পথচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাদাগিরিতে আতঙ্কিত ছিল পথচারীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে তারা বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

