স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ১০ সেপ্টেম্বর।। ভালো বোলার বেশি না থাকলে তো দুর্ভাবনা থাকেই। ভালো বোলার বেশি থাকলেও বিড়ম্বনা কম নয়! রাশিদ খান যেমন বুঝতে পারছেন। একাদশ গঠনে মাথা ঘামাতে গিয়ে গলদঘর্ম হতে হচ্ছে তো বটেই, এমনকি মাঠে বোলিং পরিবর্তনেও হিমশিম খেতে হচ্ছে আফগান অধিনায়ককে। মধুর সমস্যায় তিনি এতটাই জেরবার যে নিজের বোলিংয়ের কথাও মনে ছিল না!
এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে মঙ্গলবার চার স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজায় আফগানিস্তান। রাশিদ ও অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মোহাম্মাদ নাবির সঙ্গে একাদশে ছিলেন এএম গাজানফার ও নূর আহমাদ। একাদশে জায়গা পাননি মুজিব উর রহমানের মতো স্পিনার। সম্প্রতি ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ বোলিং করা বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার শারাফউদ্দিন আশরাফও ছিলেন এই ম্যাচে একাদশের বাইরে।
হংকংয়ের বিপক্ষে বিশাল জয়ের এই ম্যাচে সাত জন বোলার ব্যবহার করেন আফগান অধিনায়ক রাশিদ। ফাজালহাক ফারুকি, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, এএম গাজানফার, গুলবাদিন নাইবরা দারুণ বোলিং করেও কেউ পুরো চার ওভার বোলিং পাননি। অভিজ্ঞ নাবি তো এ দিন এক ওভারও বোলিং পাননি।
বোলিংয়ের এত বিকল্প থাকা নিয়েই ম্যাচ শেষ জিজ্ঞেস করা হলো রাশিদ খানকে। আফগান অধিনায়ক হেসে বললেন মধুর বিড়ম্বনার কথা।
“খুবই কঠিন কাজ(এত বিকল্প থেকে বেছে নেওয়া), এমনকি একাদশ নির্বাচনও কঠিন। মুজিবকে আজ বাইরে রাখতে হয়েছে, ভীষণ কঠিন সিদ্ধান্ত। কিছু কিছু ম্যাচে নুরকেও বাইরে রাখতে হয়। আজকে তো আমি নিজের দুই ওভারের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম।”
“কোন দলের বিপক্ষে কে বেশি কার্যকর হতে পারে, কোনো ব্যাটারদের বিপক্ষে কে বেশি সফল, এসব দেখতে হয় (একাদশ গঠনে ও বোলিং পরিবর্তনে)। ভালো ব্যাপার যে, এত বিকল্প আমাদের আছে, কাজটা তাতে ভালোভাবে করা যায়।”
হংকংয়ের বিপক্ষে এই ম্যাচে পাওয়ার প্লে শেষেই বোলিংয়ে এসে টানা দুই ওভার বোলিং করেন রাশিদ। বাকি দুই ওভার করেন তিনি আরও পরে। হংকংকে ৯৪ রানে আটকে রেখে ৯৪ রানের জয়ে এশিয়া কাপ শুরু করেছে বাংলাদেশের গ্রুপসঙ্গী আফগানরা।

