Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আদানি আম্বানির স্বার্থে কাজ করছেন, তাই তিনি জনগণের দুঃখ...

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আদানি আম্বানির স্বার্থে কাজ করছেন, তাই তিনি জনগণের দুঃখ বেদনা কর্ণপাত করেন না : সুদীপ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩০ আগস্ট : ভোট চুরির অভিযোগ উত্থাপন করে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু করেছে কংগ্রেস। তারই অঙ্গ হিসাবে শনিবার রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা করার ঘোষণা দেয় প্রদেশ কংগ্রেস। পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক এইদিন প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে শুরু হয় মিছিল। কিন্তু রাজধানীর বুদ্ধমন্দির সংলগ্ন এলাকায় আসতেই বেরিকেট দিয়ে মিছিল আটকে দেয় পুলিশ প্রশাসন। তারপর সেখানেই কংগ্রেসের বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের ইনচার্জ সপ্তগিরি শংকর ওলাকা, সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সম্পাদক তথা প্রদেশ কংগ্রেসের ইনচার্জ ক্রিস্টোফার তিলক, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

সভায় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করলেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তিনি বলেন, দেশের ভালোর জন্য নয়, আদানি আম্বানির ভালোর জন্য জনগণের কোটি কোটি টাকা দিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে সমস্ত সম্পদ নরেন্দ্র মোদি আদানি আম্বানির হাতে তুলে দিচ্ছে। শুধু তাই নয় দেশের লাভজনক সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে। তাহলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার কার জন্য কাজ করছে? দেশের গরিব জনতা ক্ষুধার যন্ত্রণায় মারা যাচ্ছে, অভাবের তাড়নায় ত্রিপুরাতেও সন্তান বিক্রি করে দিচ্ছে মা বাবা। দেশবাসীর চিৎকার ও চোখের জলের কোন গুরুত্ব নেই। লুটরাজ চলছে দেশ জুড়ে। দেশবাসী একজন চৌকিদারকে দেশ পরিচালনা করার দায়িত্ব দিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল করেছে। কিন্তু ২০১৪ সালের আগে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং কর্পোরেট জগত কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পিছে পড়েছিল। খবরের কাগজে, সামাজিক মাধ্যমে সব জায়গায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করেছিল তারা। কারণ কংগ্রেস গরিবের জন্য কাজ করছিল।

কারণ কংগ্রেস দেশের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বনাধিকার আইন, খাদ্য সুরক্ষা আইন চালু করেছিল। যেগুলি দিন দিন শেষ করে দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যদি সত্যিকারে মানুষের ভোটে জয়ী হতেন তাহলে মানুষের দুঃখ বেদনা চিৎকার চেঁচামেচি এইগুলি তিনি কর্ণপাত করতেন। তিনি অন্যায় ভাবে ভোট কারচুপি করে জয়ী হয়েছেন। তাই লড়াই করতে হবে। ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। তিনি আরো বলেন, ক্যাডার ভিত্তিক দলগুলি মানুষের কথা কর্ণপাত করে না। দীর্ঘ ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের শাসন ব্যবস্থা এবং বর্তমান সরকারের সাড়ে সাত বছরের শাসন ব্যবস্থা। তারা জনগণকে মনের কথা বলতে দেন না। তাদের অনুভূতি নেই। একমাত্র ক্যাডার বিহীন দল কংগ্রেস। তাই দেশকে এবং রাজ্যকে যদি সঠিক দিশা দেখাতে হয় তাহলে সাংবিধানিক অধিকারকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে। দেশবাসীর কাছে কংগ্রেস ছাড়া আর কোন বিকল্প রাস্তা নেই। এদিনের মিছিলে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষ্যণীয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে কর্মসূচি সংঘটিত হয়েছে কংগ্রেসের।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য