স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক , আগরতলা। ১৯ আগস্ট : শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলন বানচাল করার অভিযোগ পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার আগরতলা স্থিত মেলার মাঠ শিক্ষক ভবনে ত্রিপুরা সরকারি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশীষ চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, ত্রিপুরা সরকারী শিক্ষক সমিতি (এইচ বি রোড) পূর্ব নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী ১৯ আগস্ট মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় আগরতলা স্থিত মেলারমাঠের শিক্ষক ভবন থেকে এক মিছিল সংঘটিত করতে চেয়েছিল। মিছিলটি আগরতলা কামান চৌমুহনি, জ্যাকসন গেট হয়ে প্যারাডাইস চৌমুহনী পর্যন্ত সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিছিলে ত্রিপুরার ২৩ টি মহকুমা থেকে সহস্রাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা যোগ দেওয়ার কথা ছিল। মূলত ৯-দফা দাবিতে এই মিছিলের কথা ছিল। মিছিল শেষে প্যারাডাইস চৌমুহনিতে উক্ত দাবির সমন্ধে সমিতির নেতৃত্ব আলোচনার কর্মসূচির কথা ছিল।
কিন্তু মিছিলের আগের দিন সোমবার সন্ধ্যায় হোয়াটস অ্যাপ মারফৎ জানানো হয় যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ টিজিটিএ-কে মিছিল করার অনুমতি প্রদান করছে না পুলিশ। পরবর্তী সময় সদর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করলে তিনি জানিয়ে দেন নিরাপত্তা কর্মীর অভাব এবং অন্য কর্মসূচি রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এদিন দিনভর কোন কর্মসূচি লক্ষ্য করা যায়নি আগরতলা শহরে। এর দ্বারা স্পষ্ট হয়েছে বর্তমান সরকার শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলন ভয় পায়। তাই আন্দোলন করতে দেয়নি বলে অভিযোগ তুলেন। আরো জানান, এ ধরনের অজুহাত দেখিয়ে আজকের শিক্ষক কর্মচারীর আন্দোলন বানচাল করা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু আগামী দিন সম্ভব হবে না। আগামী দিন আরও বৃহত্তর পরিসরে আন্দোলন সংগঠিত করা হবে বলে জানান। দাবিগুলি মূলত, শিক্ষক কর্মচারী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়া, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিল করা, প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ করা, ১০,৩২৩ চাকুরিচ্যুতদের জন্য অবিলম্বে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান