স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৭ সেপ্টেম্বর :আত্মসমর্পণকারী
জঙ্গিদের
জন্য
কেন্দ্রীয়
সরকার
কিছু
প্যাকেজ
ঘোষণা
করেছে।
এর
বিরোধিতা
করে
না
কংগ্রেস।
কিন্তু
আশির
দাঙ্গার
সময়
এই
উগ্রপন্থীদের
জন্য
যারা
ভিটে
মাটি
ছেড়ে
এসেছে
তাদের
কি
প্যাকেজের
প্রয়োজন
নেই?
অপরদিকে
সীমান্তের
কাঁটাতারের
ওপারে
যে
ভারতীয়
নাগরিকরা
রয়েছেন
তাদের
কি
প্যাকেজের
প্রয়োজন
নেই?
তাদের
জন্য
কি
প্যাকেজ
দিতে
পারে
না
কেন্দ্র
সরকার?
সরকারের
এমন
নীতি
হৃদয়ের
প্রচন্ডভাবে
আঘাত
করে।
এগুলোই
মানুষের
কাছে
তুলে
ধরা
উচিত।
এমনটাই বললেন
বিধায়ক
সুদীপ
রায়
বর্মন।
রবিবার
১৪
বাধারঘাট
কংগ্রেস
কমিটির
উদ্যোগে
অনুষ্ঠিত
হয়
কর্মী
সম্মেলন।
লোকনাথ
চৌমুহনী
এলাকায়
দলের
এক
কর্মকর্তার
বাড়িতে
এইদিনের
কর্মী
সম্মেলন
অনুষ্ঠিত
হয়।
এই
কর্মী
সম্মেলন
উপস্থিত
ছিলেন
প্রদেশ
কংগ্রেস
সভাপতি
আশীষ
কুমার
সাহা,
কংগ্রেসের
ওয়ার্কিং
কমিটির
স্থায়ী
আমন্ত্রিত
সদস্য
তথা
বিধায়ক
সুদীপ
রায়
বর্মন,
মহিলা
কংগ্রেসের
সভানেত্রী
সর্বানি
ঘোষ
চক্রবর্তী,
প্রদেশ
কংগ্রেসের
এস.সি
ডিপার্টমেন্টের
চেয়ারম্যান
নিরঞ্জন
ঘোষ
সহ
অন্যান্যরা।
এদিনের
সম্মেলনে
বিধায়ক
সুদীপ
রায়
বর্মন
টেট
ইস্যু
নিয়ে
বলেন,
মুখ্যমন্ত্রী
যেমন
লাখ
সাহেব!
কারোর
সাথে
এবং
কোন
সংগঠনের
সাথে
তিনি
দেখা
করেন
না।
শুধু
অফিসারদের
কথা
শুনলে
হয়
না,
মানুষের
কথা
শুনতে
হয়।
মানুষের
কথা
শুনলেই
মানুষের
সমস্যার
সমাধান
হবে।
অরাজনৈতিক
লোক
রাজনীতির
আঙিনায়
এসে
কোনরকম
ত্যাগ
ছাড়া
রাজনৈতিক
চেয়ারে
বসে
গেলে
এমনটাই
হয়।
বর্তমান
মুখ্যমন্ত্রী
এবং
আগের
মুখ্যমন্ত্রীও
একই
অবস্থা।
তারা
প্যারাসুট
দিয়ে
উড়ে
এসে
জুড়ে
বসেছেন।
তাই
তারা
কিভাবে
মানুষের
উপকার
করবেন?
তখনই
তাদের
মুখ
দিয়ে
বের
হয়
ফোরজি
নরেন্দ্র
মোদী
আবিষ্কার
করেছেন।
এভাবেই
সরকারকে
তুলোধোনো
বিধায়ক
সুদীপ
রায়
বর্মন।
পরে
আবার
সংবাদ
মাধ্যমের
মুখোমুখি
হয়ে
বিধায়ক
সুদীপ
রায়
বর্মণ
জানান
বাধারঘাট
কংগ্রেস
কমিটির
ভালো
ও
খারাপ
দিক
গুলি
নিয়ে
এইদিন
সাংগঠনিক
স্তরে
আলোচনা
হয়েছে।
এইটা
একটা
রুটিন
কর্মসূচি।
এইদিনের
সভায়
পুর
নিগমের
নির্বাচন
নিয়েও
আলোচনা
হয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান