Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যবিকাশ ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ, পানীয় জল এবং রাস্তাঘাট না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন...

বিকাশ ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ, পানীয় জল এবং রাস্তাঘাট না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন জনগণ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৮ আগস্ট : মনে হচ্ছে যেন গন্ডাছড়া থেকে আরো কয়েক কিলোমিটার দূরে কোন এক গ্রাম সূর্যসেন পাড়া! দেশের স্বাধীনতার ৭৯ তম বছর পরেও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত  সূর্যসেন পাড়ার জনগণ। অভিযোগ এত বছর পরেও সূর্যসেন পাড়ায় পানীয় জল, বিদ্যুৎ এবং রাস্তাঘাট মিললো না। পূর্ব আড়ালিয়া সূর্যসেন পাড়া আগরতলা স্থিত প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।

এলাকার জনগণ সাত বছরের বিকাশ ত্রিপুরার উন্নয়নের ছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর জন্য এখনো পানীয় জলের ব্যবস্থা হয় নি, বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই এবং রাস্তাঘাট সংস্কার কিছুই করা হয়নি। সেই বাম আমল থেকে রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ এবং পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘ বছর ধরেই উন্নয়নের পরিবর্তে তাদের মিলেছে শুধু নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের মিথ্যা আশ্বাস। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে বিদ্যুতের পরিবর্তে অন্ধকারের একমাত্র ভরসা মোমবাতি এবং হারিকেনের আলো। এলাকার কঙ্কালসার রাস্তাটি সরকারের কাগজে-কলমে থাকলেও রাস্তাটি দিয়ে মানুষ চলাচলের উপযোগী নয়। ভুক্তভোগী পরিবার গুলি বাধ্য হয়ে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে তাদের অভাব অভিযোগ জানাতে গিয়ে ক্ষোভ  উগরে দিলেন নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে তারা এতটাই ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন যা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছেন তাদের বাড়ি ঘরে এসে অন্তত একদিন থাকতে।

ভুক্তভোগী পরিবার গুলি এদিন জানিয়েছেন শুধু নির্বাচন আসলেই ভোট ভিক্ষার জন্য তাদের কাছে আসেন আর উন্নয়নের নামে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে থাকেন। যখন নির্বাচনের জয়ী হয় তখন এলাকাবাসীকে আর চিনেই না। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সাত বছরের মিললনা পানীয় জল, রাস্তাঘাট এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা। এটা কি আগরতলা পৌর নিগমের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় হওয়ার পরেও এতটা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যাওয়ার কোন রাস্তা নেই, পানীয় জলের কোন সুবন্দোবস্ত হচ্ছে না, গরমে শরীর দিয়ে ঘাম বের হচ্ছে, এটা কি গন্ডারের চামড়া প্রশ্ন এলাকাবাসীর? তাদের আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রী এসে তাদের সাথে থাকার জন্য বলেন। তাহলে বুঝতে পারবে তাদের শরীর কি গন্ডারের চামড়া দিয়ে গড়া হয়েছে কিনা? আরো বলেন এলাকার নেতারা গরিবের জন্য কোন কাজ করছে না। শুধুমাত্র নিজেদের বাড়িতে বিল্ডিং করছে। রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা দাবি জানিয়েছেন তারা এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেতে চায়। সরকার যেন খুব শীঘ্রই তাদের এই সমস্যাগুলি সমাধান করার ব্যবস্থা নেয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য