স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২১ জুলাই :বাম আমলে পার্টির তহবিল, লেভি, নারী সমিতির নামে চাঁদা সংগ্রহ, ছাত্র সংগঠনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, যুব সংগঠনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ক্ষেত মজুরের নামে তহবিল সংগ্রহ। এই সব মানুষ দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। তহবিল সংগ্রহ ছাড়াও ছিল চাঁদা বাজি। যার জেরে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ২০১৮ সালে বামফ্রন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে। কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও নিজেদের পুরানো অভ্যাস ভুলতে পারে নি সিপিআইএম।
রাজ্যে বর্তমানে বিরোধী দলের ভূমিকায় রয়েছে সিপিআইএম। স্বাভাবিক ভাবেই জন স্বার্থে বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দল হিসাবে আন্দোলন করলে সিপিআইএম। এইবার সেই আন্দোলনের জন্যও নাকি অর্থ দিতে হবে সাধারন জনগণকে। জনগণের টাকায় নাকি আন্দোলন করবে সিপিআইএম। রাজ্য জুড়ে দলের সংগ্রাম তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহে নামল সিপিআইএম। সোমবার মেলার মাঠ এলাকায় এমনটাই গুঞ্জন উঠেছে। সিপিআইএম সদর মহকুমা কমিটি আগরতলা শহরে সংগ্রাম তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এইদিন মেলারমাঠ ঠেকে কামান চৌমুহনী এলাকায় অর্থ সংগ্রহ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম নেতা রতন দাস।
তিনি জানান সিপিআইএম সাধারন জনগণের অর্থে সাধারন জনগণের স্বার্থে লড়াই করে। তাই দলের সংগ্রাম তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সাধারন জনগণের স্বার্থের কথা বলে সিপিআইএম রাজ্য জুড়ে আন্দোলন করলেও, সিপিআইএম-এর লক্ষ্য মানুষকে হাতিয়ার করে ক্ষমতা দখল করা। আর এই ক্ষমতা দখলের লড়াই-র জন্যও সাধারন জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে সিপিআইএম। আর ক্ষমতা দখল করতে পারলে আবার সেই পুরানো কায়দায় একাধিক সংগঠনের নামে জনগণের কাছ থেকে আদায় করা হবে অর্থ। এইটা বলা বাহুল্য। কারন ৬ বছরের অধিক সময় ধরে ক্ষমতায় না থাকার পরও সিপিআইএম যেখানে পুরানো অভ্যাস ত্যাগ করতে পারে নি, আগামিতে কি সেই পুরানো অভ্যাস ত্যাগ করতে পারবে ? এমনটাই প্রশ্ন জনগণের।

