Tuesday, July 16, 2024
বাড়িরাজ্যআগামী ৬ মাস লড়াই করতে হবে তিপ্রাসাদের : প্রদ্যোত

আগামী ৬ মাস লড়াই করতে হবে তিপ্রাসাদের : প্রদ্যোত

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১ জুলাই : এ.ডি.সি থেকেও বেশি শক্তিশালী আগরতলা পুর নিগম। কারণ এ ডি সি -র জন্য যে অর্থ আসে, তার থেকে অধিক অর্থ আগরতলা পুর নিগমে উন্নয়নের জন্য আসে। আর এটাই সরকারের সবকা সাথ সবকা বিকাশের নিতি। শুক্রবার দশরথ দেব ভবনে ইউথ ত্রিপুরা ফেডারেশনের একদিনের কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিপ্রা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন।

তিনি বলেন স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও রাজ্যের তিপ্রাসাদের বঞ্চিত হতে হচ্ছে। শিক্ষা, চাকুরী সহ সব দিকে পিছিয়ে থাকতে হচ্ছে এ.ডি.সি এলাকার জনজাতিদের। সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল জনজাতি অংশের মানুষকে বাঁচার জন্য গরু, ছাগল, শুকর এগুলি প্রতিপালন করার জন্য দেওয়া হচ্ছে। আর এদিকে আগরতলা পুর নিগমের ছেলেমেয়েদের ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার প্রদান করা হচ্ছে যাতে তারা বড় হয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে। আর এভাবেই যুগ যুগ ধরে জনজাতি অংশের মানুষকে বঞ্চিত করে আসছে সরকার। তাই ডার্লং সহ ২০ টি জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ২০২৩ -এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে কঠিন লড়াই করতে হবে। আর সেই লড়াইয়ের আওয়াজ প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। সরকারকে বুঝাতে হবে রাজ্যের ১৩ লক্ষ জনজাতি এবার ন্যায় চায়। কিন্তু এ লড়াই কোন মুসলিম এবং মনিপুরী সহ কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়। কারণ কোন সম্প্রদায়ের হাতে ক্ষমতা নেই যে গ্রেটার তিপরাল্যান্ড তিপ্রাসাদের দিতে পারবে। এই ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র দিল্লির সরকারের কাছে। তাই সরকার পর্যন্ত যাতে সাংবিধানিক দাবি পৌছানো যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ওয়াই টি এফ -কে বড় ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ।

এদিন প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ আরো বলেন গ্রেটার তিপরাল্যান্ড থেকে বাদ যাবে না বিজেপি, সি.পি.আই.এম এবং আই.পি.এফ.টি। যেসব জনজাতিরা বিজেপি, সি.পি.আই.এম এবং আই.পি.এফ.টি -তে এখনো শামিল হয়ে আছে, তাদের জন্যও এ লড়াই। আগামী ছয় মাস দীর্ঘ লড়াইয়ের পর যখন রাজ্যে পৃথক রাজ্যে দাবি বাস্তবায়িত হবে তখন সারা দেশ দেখতে পারবে তিপ্রাসা কি করতে পারে। সেই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে নিয়ে ওয়াই টি এফ -কে থানসা করতে বড় ভূমিকা নিতে হবে বলে জানান প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মণ। আয়োজিত একদিনের কনভেনশনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়াই টি এফ -র নেতা রোনাল দেববর্মা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য