Tuesday, June 28, 2022
বাড়িরাজ্যবন্যার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, পরিদর্শনে বের হলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মেয়র

বন্যার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, পরিদর্শনে বের হলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মেয়র

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৮ জুন : প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন আগরতলা নিম্নাঞ্চল সহ হাওড়া নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা। শহরের বহু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ। যদিও শহরের বেশ কিছু এলাকা থেকে রাতের মধ্যেই জল নেমে যায়।

কিন্তু নিম্নাঞ্চল গুলিতে এখনো জল জমে রয়েছে। বেশকিছু শরণার্থী শিবির খোলা হয়েছে। সেই সকল শরণার্থী শিবিরে ইতিমধ্যে বহু বন্যা দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। বড়দোয়ালি বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এখনো জল জমে রয়েছে সেই সকল জায়গায়। শনিবার এই সকল জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শনে মাঠে নামেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। তিনি কথা বলেন বন্যা দুর্গতদের সাথে। বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখার পর মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা জানান বেশ কিছু এলাকা থেকে জল নেমে গেছে। তবে বড়দোয়ালি বিধানসভা এলাকার কয়েকটি জায়গায় হাওড়া নদীর জল ঢুকে পড়েছে। সেই সকল জায়গায় নৌকা নামানো হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কারো কোন কিছু করার নেই। তারপরও কোথায় কি সমস্যা রয়েছে, এই সমস্যার কি ভাবে স্থায়ি সমাধান করা যায় সেই বিষয়ে পরবর্তী সময় আলোচনা করা হবে।

এইদিকে রাজধানীর শ্রীকৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে যান আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দিপক মজুমদার। শুক্রবারের টানা বৃষ্টিতে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় বানভাসি লোকজনদের। এইদিন নিগমের মেয়র দিপক মজুমদার সংশ্লিষ্ট এলাকা গুলি পরিদর্শন করে কথা বলেন এলাকার লোকজনদের সাথে। মেয়রের সাথে ছিলেন ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রত্না দত্ত, চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সন্তোষ সাহা সহ অন্যান্যরা। এক সাক্ষাৎকারে নিগমের মেয়র দিপক মজুমদার জানান সার্বিক ভাবে চেষ্টা করা হয়েছে জল যন্ত্রণা থেকে মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু এত বেশি পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, তাতে কারো কিছু করার নেই। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। আগরতলা শহরের ৫ হাজার লোক শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।

হাওড়া নদীর জল বিপদ সিমার উপর দিয়ে বইছে। সরকারের পাসাপাসি বিভিন্ন ক্লাব, প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি দলের কর্মীরা প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে গেছে। এইটা একটা ভাল কাজ। রাজনীতির উর্ধে উঠে তারা এই কাজ করছে। যারা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে, সরকার তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে। শুক্রবার রাতে শহরের বেশকিছু এলাকা থেকে জল নেমে গেলেও, এখনো হাওড়া নদীর জল বিপদ সিমার উপর দিয়ে বইছে। তার উপর শনিবার নতুন করে ভারি বৃষ্টি হলে ফের সমস্যা বৃদ্ধি পাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও প্রশাসন সক্রিয় রয়েছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য