Tuesday, July 23, 2024
বাড়িরাজ্যস্বামীর বিরুদ্ধে ক্লাবে বিচার চাইতে গিয়ে বাড়ি হারালেন গৃহবধূ, বিচার চাইলেন মুখ্যমন্ত্রীর...

স্বামীর বিরুদ্ধে ক্লাবে বিচার চাইতে গিয়ে বাড়ি হারালেন গৃহবধূ, বিচার চাইলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৫ জুন : স্বামীর বিরুদ্ধে সুবিচার চাইতে ক্লাবে গিয়ে উল্টো ফেঁসে গেলেন তাই গৃহবধূর। জমি হাতিয়ে নিল বিখুরাজ ক্লাবের সম্পাদক বাপন দাস। শেষ পর্যন্ত পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার মারফত মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহার কাছে বিচার চাইলেন গৃহবধূ। পশ্চিম নোয়াবাদি আমতলী এলাকার বাসিন্দা জলি দাসের অভিযোগ, কিছুদিন আগে জলি দাসের স্বামী তার নামে বাড়ি লিখে দেন।

তারপর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন এক বিষয় ঘিরে পারিবারিক ঝামেলার সৃষ্টি হয়। তারপর পশ্চিম নোয়াবাদি এলাকার বিখুরাজ ক্লাবে বিচারের জন্য যান জলি দাস। তখন ক্লাবের সম্পাদক বাপন দাস এবং সভাপতি হরিপদ দাস স্বামী স্ত্রীর মধ্যে উস্কানিমূলকভাবে আরও বেশি ঝামেলা সৃষ্টি করে। তারপর একটা সময়ের পর পারিবারিক ঝামেলা বিশাল আকার ধারণ করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। তারপর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যখন বড়সড় বিবাদ বাদে তখন থানা পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলে স্বামী জয়কিশোর চৌধুরী নাকি জলি দাসকে খুন করে ফেলবে। তাই এই বাড়িতে থাকতে পারবে না, তাই তাদের কাছে বাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বলে ক্লাবের সভাপতি এবং সম্পাদক।

এতে জলি দাস রাজি না হওয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন ক্লাবের উপর কেউ কথা বলবে না। তাদের কাছে ক্ষমতা রয়েছে সরাসরি বিধায়কের পর্যন্ত। তারা যা বলবে সেটাই হবে এলাকায়। কিন্তু তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত এখন অপরিচিত ফোন নম্বর দিয়ে ফোন করে হুমকি দেয় যেখানে জলি দাসের স্বামী জয়কিশোর চৌধুরীকে যেখানেই পাবে সেখানে খুন করে ফেলবে তারা বলে অভিযোগ। তারপর বাধ্য হয়ে জলি দাস ক্লাবের সম্পাদক বাপন দাসের স্ত্রী এবং তার মা সবিতা দাসের নামে জমি রেজিস্টার করতে বাধ্য হয়েছে। এবং দেড় কোটি টাকার জমিতে চল্লিশ লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা করে ক্রয় করেছে অভিযুক্ত ক্লাব সম্পাদক। সাদা কাগজে মিথ্যা চুক্তি করে এবং নকল ব্যাংকের চেক ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। তারপর শেষ পর্যন্ত অসহায় মহিলা দ্বারস্থ হয় বিধায়কের। বিধায়ক বাড়ি ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেয় ক্লাবের সম্পাদককে। কিন্তু তারা বলছে বাড়ি ফিরিয়ে দেবে না। মঙ্গলবার জলি দাস দ্বারস্থ হলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের। জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার মারফত মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে দিয়ে বিচার চান। জেলা শাসক আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টি তিনি দেখবেন। জেলাশাসক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় যারা দোষী হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য