Wednesday, July 24, 2024
বাড়িরাজ্যশাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের হাত থেকে সাত বছরের শিশু কন্যাকে রক্ষা করতে পিতার...

শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের হাত থেকে সাত বছরের শিশু কন্যাকে রক্ষা করতে পিতার অর্জি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৪ জুন : শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের হাত থেকে সাত বছরের শিশু কন্যাকে রক্ষা করতে দাবি জানালেন এক অসহায় পিতা। ঘটনা মোহনপুর থানার অন্তর্গত মনিপুরী চৌমুনী এলাকায়। জানা গেছে, গত ১০ বছর আগে মোহনপুর থানার অন্তর্গত মনিপুরী চৌমুহনী এলাকার বুলন দাসের মেয়ে শিল্পী দাসকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল আমতলী থানার অন্তর্গত মধুবন রামকৃষ্ণপুর গোবিন্দ কলোনি এলাকার সূর্য মোহন মালাকারের ছেলে অসীম মালাকার। বিয়ের পর তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।

 সন্তান জন্মের পর গৃহবধূর শিল্পী দাস পর পুরুষের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে বলে অভিযোগ। শিল্পী দাসের কর্মকাণ্ড নজরে আসার পর স্বামী সহ শশুর বাড়ির লোকজন অনেকবার বুঝানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এই রাস্তা থেকে কোনভাবেই ফিরে আসছিল না শিল্পী দাস। পরে একটা সময় শিল্পী দাস তাদের কন্যা সন্তানকে নিয়ে পর পুরুষের হাত ধরে পালিয়ে যায়। অভিযোগ পর পুরুষের সাথে বিশ্রামগঞ্জ এলাকায় পুলিশের হাতে ধরাও পরে ছিল শিল্পী দাস। এই ঘটনার পর অসীম মালাকার তার ছোট্ট কন্যা সন্তানকে বাড়িতে নিয়ে আসে, পরে পুলিশ নিয়ে এসে গৃহবধূ শিল্পী দাস তার সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে শিল্পী সন্তানকে বাবার বাড়িতে রেখে ব্যাঙ্গালোরে চলে যায়।

এদিকে ছোট্ট কন্যা সন্তানটি অসীম মালাকারের শশুর বাড়িতে তার শাশুড়ি সোমা দাসের কাছে রয়েছে। স্বামী অসীম মালাকারের অভিযোগ তার এই ছোট্ট কন্যা সন্তানকে দিয়ে তার শাশুড়ি সোমা দাস বাড়ি ঘরের এবং দোকানের সমস্ত কাজকর্ম করায়। এমনকি ছোট্ট কন্যা সন্তানটির উপর শাশুড়ি সোমা দাস শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে চলেছে। অসীম মালাকার আরো অভিযোগ করেছেন তার শাশুড়ির সোমা দাসের একটি টিফিন এবং মদের দোকান রয়েছে। সেই দোকানে তার শিশু কন্যাকে দিয়ে সমস্ত ধরনের কাজকর্ম করিয়ে শিশুটির ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যার ফলে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অসীম মালাকার সন্তানকে ফিরে পেতে আর্জি জানিয়েছেন। অসহায় পিতা তার সন্তান ফিরে পেলে হয়তো স্বস্তি পাবে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য