Wednesday, July 24, 2024
বাড়িরাজ্যযৌতুকের জন্য গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখল স্বামী ও শ্বশুর...

যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখল স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২২ জুন : যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখল স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ। ঘটনা বিশালগড়ের বাইদ্যাদীঘি কসবা এলাকায়। অভিযুক্ত স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে বিশালগড় মহিলা থানায় মামলা দায়ের করল নির্যাতিতা। জানা যায় বিশালগড়ের বাইদ্যাদীঘি কসবা এলাকার বাসিন্দা রাজিব শিল। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

 ৬ বছর পূর্বে রাজিব শিল বক্সনগর আশাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা চন্দন কুমার শিলের মেয়ে তুলসি শিলকে বিয়ে করে। বর্তমানে তাদের আড়াই বছরের এক শিশু কন্যা রয়েছে। অভিযোগ কন্যা সন্তানের জন্ম হওয়ার পর থেকে স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন গৃহবধূ তুলসী শীলের উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করে বাপের বাড়ি থেকে নগদ অর্থ নিয়ে আসার জন্য। নির্যাতিতা গৃহবধূ জানায় প্রায় সময় তাকে মারধর করা হয়। এই নিয়ে সে পুলিসেরও দ্বারস্থ হয়েছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে স্বামী রাজিব শিলকে বুঝিয়ে ঝামেলা নিস্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। তারপর কিছুদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকে। কিছুদিন বাদে ফের তার উপর নির্যাতন শুরু হয়। শনিবার সকালে দেবর সঞ্জীব শিলের ইন্দনে শাশুড়ি মুকুল শিল ও স্বামী রাজিব শিল তাকে বেধড়ক ভাবে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে যায়।

 আক্রান্ত গৃহবধূ জানায় সে আইনের দ্বারস্থ হবে। মেয়েকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখার খবর পেয়ে আক্রান্ত গৃহবধূ তুলসি শিলের বাবা চন্দন কুমার শিল মেয়ের বাড়িতে ছুটে আসেন। মেয়ের বাড়িতে এসে দেখতে পান মেয়েকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে। চন্দন কুমার শীল জানান শুক্রবার তিনি মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের নিকট অনুরোধ করে গেছেন মেয়েকে মারধর না করার জন্য। এরই মধ্যে শনিবার সকালে খবর পান মেয়েকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে। তিনি জানান ন্যায় বিচারের দাবিতে তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন।মেয়েকে নিয়ে হত দরিদ্র পিতা চন্দন কুমার শিল বিশালগড় মহিলা থানায় ছুটে যান। এবং অভিযুক্ত স্বামী, স্বামীর ছোট ভাই ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় বিশালগড় মহিলা থানায়। এখন দেখার পুলিস অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য