Monday, April 15, 2024
বাড়িরাজ্যহাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লাড়ছে নাবালিকা গৃহবধূ

হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লাড়ছে নাবালিকা গৃহবধূ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৭ মার্চ :  দু’মাস আগে নাবালিকা মেয়েকে বেআইনিভাবে বিয়ে দেওয়ার পর স্বামীর অত্যাচারে অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন বলে অভিযোগ। অগ্নিদগ্ধ মেয়েকে আহত অবস্থায় শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করল নাবালিকা পিতা। ঘটনা মনু এলাকায়। সাত দিন পর আহত নাবালিকা গৃহবধূকে নিয়ে যাওয়া হলো চিকিৎসার জন্য। শরীরে বহু অংশে ধরে গেল পচন। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লাড়ছে গৃহবধূ।

 বিয়ের দুই মাসের মাথায় ১৬ বছরের এক নাবালিকা গৃহবধূকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে তার স্বামী বলে অভিযোগ। ঘটনা মনু এলাকায়। ঘটনার বিবরণ দিয়ে নাবালিকা গৃহবধূর বাবা জানান তাদের বাড়ি খোয়াই থানাধীন আমপুরা এলাকায়। গত দুই মাস আগে মনু এলাকার রমেশ মুন্ডের সাথে ১৬ বছরের এই নাবালিকার বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকে স্বামী রমেশ মুন্ডা প্রতিদিন তার মেয়ের উপর শারীরিক নির্যাতন করতো। এইভাবে চলে প্রায় দুই মাস। গত ১০ ই মার্চ স্বামী রমেশ মুন্ড তার মেয়ের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপর নাকি স্বামী রমেশ মুন্ডা পালিয়ে যায়। অন্যদিকে গৃহবধূর বাবা কোনভাবেই ফোনে তার মেয়ের সাথে কথা বলতে পারছিল না। তাতে করে গৃহবধূর বাবার সন্দেহ হয়। এরপর মেয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখতে পায় মেয়ের সাথে এই ঘটনা ঘটেছে। শনিবার মেয়েকে নিয়ে আসে তার পিতা-মাতা খোয়াই আম্পুরা এলাকায়। এবং রবিবার দুপুরে খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্য রত চিকিৎসক গৃহবধূকে জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। শরীরে আগুন লাগার পর সাত দিন ঘরে থাকার ফলে তার শরীরে পচন ধরে গেছে। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে অসহায় পিতা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য