স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৫ ফেব্রুয়ারি : আগরতলা পুর নিগমের ৪০ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে ব্যাপক জাঁকজমকভাবে রাজধানীর বড়দোয়ালি এলাকায় সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে এলাকায় বাগদেবীর আরাধনায় ব্রতী হয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর শম্পা চৌধুরী এবং উনার স্বামী জয়ন্ত চৌধুরী। আর বাগদেবীর আরাধনার পাশাপাশি এলাকায় এ বছর ব্যাপক জাঁকজমক ভাবেই আয়োজন করা হয়েছে আনন্দমেলার।
আর আনন্দমেলার আড়ালে চলছে জুয়ার আসর। তাও দোকান বসিয়ে সেই জুয়ার আসর জমেছে বড়দোয়ালি স্কুল প্রাঙ্গনে। সরস্বতী পূজার দিন সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ রাত পর্যন্ত চলে মেলা প্রাঙ্গনে জোয়ার রমরমা আসর। আসরে শামিল হয়েছে এলাকার নাবালক থেকে শুরু করে যুবকরা। এবং এই জুয়ার আসরে হাজার হাজার টাকা উড়ছে। সূত্রে খবর উপরমহলকে ম্যানেজ করে এই জুয়ার আসর জমেছে মেলা প্রাঙ্গনে। এবং এর জন্য মোটা অংক রফাদফা হয়েছে। মেলার সাত দিন লক্ষ লক্ষ টাকা এই জুয়ার আসরে উড়বে। মেলা প্রাঙ্গনে পুলিশ থাকলেও, নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। কারণ যেহেতু উপর মহল ম্যানেজ হয়ে গেছে, তাই আর পুলিশের রক্ষকের ভূমিকা পালন না করে ভক্ষকে ভূমিকে পালন করছে। সরস্বতী পূজার দিন সন্ধ্যা বেলায় এলাকার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের এই দৃশ্য দেখে চোখ কপালে ঠেকেছে। কার মদতে হচ্ছে এই খেলা ? এলাকায় তো এ ধরনের দৃশ্য আগে দেখে নি কেউ! কিন্তু উপর মহলকে যে ম্যানেজ করে কত কিছু করা যায় সেটা অক্ষর অক্ষরে বুঝতে পারল স্থানীয়রা। স্থানীয়দের এই দৃশ্য দেখে বুক ফাটে, কিন্তু মুখ ফাটে না।
সুতরাং প্রত্যক্ষ ভাবে নেওয়া হলো পরোক্ষভাবে দাবি তুলেছে যাতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। কারণ ৪০ ফুট উঁচু প্রতিমা দেখতে সকলেই আগ্রহী। প্রতিমা দেখতে এসে একটা মহল দর্শকের নজর ঘুরছে সেদিকে। কিন্তু এ ধরনের আজব কান্ড যে এলাকায় ঘটবে সেটা জানতো না অনেকে। তবে অনেকের প্রশ্ন যদি আয়োজকরা জেনে না থাকে তাহলে এভাবে সরাসরি জুয়া খেলার আসর জমাতে কোথা থেকে সাহস পেল তারা? তবে এটাও সূত্রে খবর মেলা প্রাঙ্গনে ভিটি বন্টন নিয়ে প্রচুর কামাই হয়েছে আয়োজকদের। এবং জাতীয় সড়কের সৃষ্টি হচ্ছে চরম বিশৃঙ্খলা। মেলাকে কেন্দ্র করে নাগেরজলা থেকে বাধারঘাট পর্যন্ত ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হয়ে থাকছে। এক থেকে দেড় কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত সময় লাগছে ঘন্টাখানেক। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যান চালক ও পথচারীদের।

