Tuesday, July 16, 2024
বাড়িরাজ্যমহারাজগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে চালের দোকান বন্ধ করে দিলো প্রশাসন

মহারাজগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে চালের দোকান বন্ধ করে দিলো প্রশাসন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৬ সেপ্টেম্বর : অসাধু ব্যবসায়ীদের মাতব্বরিতে ছেয়ে গেছে মহারাজগঞ্জ বাজার। পেঁয়াজ ও সবজির পর এবার বৃদ্ধি পেল চালের দাম। বুধবার খাদ্য দপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালিয়ে এক চালের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলো প্রশাসন। জানা যায়, বাজারে শুধু পেঁয়াজের মূল্যই অস্বাভাবিক নয়।

আকাশ ছোঁয়া চালের মূল্যও। গত ১০ থেকে ১৫ দিনে স্থানীয় উৎপাদিত চালের মূল্য এক লাফে বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। মহারাজগঞ্জ বাজারের পাইকারি মূল্যের দোকানগুলিতে চালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে চরম ফটকা বাজি চলছে। মাত্র ১৫ দিন আগে বাজারে স্বর্ণমোশুরি, পাইজন চালের প্রতি কিলো খুচরো বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা করে। যার বর্তমানে ৫০ টাকা কিলো ধরে বিক্রি করছে। ডাল ভাত খাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে নিম্ন বিত্ত ও মধ্যবিত্তদের। তাই বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রনে রাখতে অভিযান শুরু করেছে খাদ্য দপ্তর। বুধবার সদর মহকুমা প্রশাসনের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালায় রাজধানীর মহারাজগঞ্জ বাজারের বেশ কয়েকটি চালের দোকানে। অভিযান কালে এইদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দ্বিজেন্দ্রলাল সাহা নামে এক ব্যক্তির দোকান। নোটিশ দেওয়া হয়েছে আরও একটি দোকানকে। সদর মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান বাজারে সম্প্রতি স্থানীয় চালের মূল্য অনেকটা বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। এইদিন একটি দোকানকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই দোকানের লাইসেন্স নেই। অপর একটি দোকানকে ১৫ কুইন্টাল চাল বিক্রয় বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান বাজারে স্থানীয় চালের মূল্য প্রতি কেজি ৪০ টাকার নিচে হওয়ার কথা। কারন বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল মজুত রয়েছে। কিন্তু সরকার অধিক মূল্যের ধান ক্রয় করেছে বলে অজুহাত দেখিয়ে মর্জিমাফিক মূল্য বৃদ্ধি করেছে।

এবং স্থানীয় উৎপাদিত চালের মূল্য বর্তমানে ৪৮ টাকা কিলো দরে বিক্রি করছে তারা। যা ৪০ টাকা নিচে হওয়ার কথা। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সদর মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অলি গলির দোকান গুলির মধ্যে চালের দাম ইতিমধ্যে ৫০-৫৫ টাকা। ক্রেতা সাধারণ চালের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় চোখে মুখে কিছু না দেখায় অবস্থা। কারণ গত এক মাস ধরে পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়া মানুষ ভুগছে। এবার চালের দাম যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন প্রশ্ন হচ্ছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। কারণ পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া হয় চালের মূল্য কতটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে সেটাই এখন বড় বিষয়। কারণ মহারাজগঞ্জ বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে অন্যান্য বাজারগুলিতে চালের মূল্য স্বাভাবিক হবে না। কারণ গোটা রাজ্যের বাজার নির্ভর করে মহারাজগঞ্জে বাজারের উপর।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য