Friday, February 6, 2026
বাড়িরাজ্যত্রিপুরা থেকে গাঁজা পাচারের সময় আটক আসাম পুলিশের হাতে

ত্রিপুরা থেকে গাঁজা পাচারের সময় আটক আসাম পুলিশের হাতে

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৩০ জুলাই : থানায় ননীগোপাল সেজে কর্মযজ্ঞ করছে রাজ্যের কতিপয় পুলিশ কর্মীরা। কারণ আবারো ত্রিপুরা থেকে গাঁজা পাচারের সময় আটক আসাম পুলিশের হাতে। উদ্ধার হয় গাজার পরিমাণ ৪১৯ কেজি। আটক গাড়ি চালককে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে আসাম পুলিশ। জানা যায়, রবিবার সকাল আটটার নাগাদ ত্রিপুরা সীমান্ত পেরিয়ে NL 01 K-2677 নম্বরের বারো চাকার লরি অসমে প্রবেশ করতেই অসম চুড়াইবাড়ি ওয়াচপোস্টের পুলিশ তল্লাশির সময় তুষার দেব গাড়িটি আটক করে। এবং গাড়িতে তল্লাশি করতেই কেবিনের গোপন চেম্বারে থাকা বিপুল পরিমাণ গাঁজাগুলি উদ্ধার হয়। মোট ঊনচল্লিশ প্যাকেটে মোট চারশো উনিশ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। যার কালোবাজারি মূল্য একচল্লিশ লক্ষ নব্বই হাজার টাকা বলে জানা গেছে।

এদিকে পুলিশ জানায়, গাড়ির গোপন কেবিন থেকে এই গাঁজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গাড়ির চালক ছালেক উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি উত্তর জেলার চুড়াইবাড়ি থানাধীন ফুলবাড়ী গ্রামে। সে জানায় আগরতলা শহরতলী খয়েরপুর থেকে এই গাঁজা গুলি বোঝাই করে লুঙশিলং এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পুলিশ তাকে জেরা করে এই ঘটনার মূল পাচারকারী চক্রকে পাকড়াও করতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। তবে জানা গেছে চুরাইবাড়ির এক বড়ো মাপের নেশা মাফিয়া সাহানী পদবীর ঐ ব্যক্তি এই গাঁজা গুলো বহিঃরাজ্যে পাচার করছিল। সে ত্রিপুরা চুড়াইবাড়ি সেলটেক্সের একজন বিশ্বস্ত লেবার হিসেবে পরিচিত। এদিকে  ধৃতের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা গ্রহণ করে করিমগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানান পুলিশ আধিকারিক। তবে প্রশ্ন হল খয়েরপুর থেকে গাজা গুলি নিয়ে ত্রিপুরার সীমান্ত অতিক্রম করার পেছনে আসলে কি পুলিশের কুম্ভ-নিদ্রা নাকি গোপন বোঝাপড়ার মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়েছে। কারণ জাতীয় সড়কের উপর রয়েছে অধিকাংশ থানা। কিন্তু কেন গাড়ি থেকে গাঁজা উদ্ধার হয়নি সেই প্রশ্নের উত্তর হয়তো কারো কাছে নেই। তবে রাজ্যের নাকার পয়েন্ট গুলির মধ্যে যে গোপন বোঝাপড়া হয় সেটা নতুন বিষয় নয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য