স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৭ জুলাই : পশ্চিম মহিলা থানার ম্যাডামদের উপর আস্থা হারিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কড়া নাড়ল রাজধানীর মধ্য ভুবনবন এলাকাবাসী। জানা যায়, দুই পরিবারের ঝামেলা ঘিরে গত ১০ জুলাই রাতে চন্দন দেব ও তার ছেলে শান্তনু দেব, চয়ন, সিদ্ধার্থ এবং আরও কয়েকজন মিলে মধ্য ভুবনবনের স্বপ্না দে সরকারের ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ তাকে এবং তার বৃদ্ধা শাশুড়ি ও স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। মহিলাকে মাটিতে ফেলে মারধোর করা হয়।
তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি শ্বাশুড়িও। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসলে চন্দন দেব সঙ্গীদের নিয়ে পালিয়ে যায়। আক্রমণকারীরা চার থেকে পাঁচটি মোটর বাইক করে আসে। যার মধ্যে তিনটির নাম্বার হল TR O1 AH 8535, TR O1 V 8612, TR O1 AQ 8064। জানা গেছে দুমাস আগে স্বপ্না দে সরকারের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ও চন্দন দেবের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে পালিয়ে যায়। সেই সময় দুই পরিবারের অভিভাবকেরা থানায় যান। পরে যার যার সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেয়। ওই ঘটনার সময় নাবালিকার অভিভাবক ছেলেটি এবং তার অভিভাবকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেনি।
প্রায় দুমাস পর নাবালিকার পিতা চন্দন দেব লোকজন নিয়ে এসে অতর্কিতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এরই প্রতীবাদ জানিয়ে এলাকাবাসী সহ স্বপ্না দে সরকারের পরিবার পশ্চিম মহিলা থানায় যায় চন্দন দেব ও তার সঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে। কিন্তু পুলিশ এখন পর্যন্ত তাদের কথা কর্ণপাত করছে না বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় নিরুপায় হয়ে সোমবার পশ্চিম ত্রিপুরা পুলিশ সুপারের উদ্দেশ্যে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে এক স্মারকলিপি প্রদান করে এলাকাবাসীর সহায়তায়।

