বাড়িরাজ্যদুদিন ধরে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে ঝুলছে তালা, দেখা নেই কর্মী ও সহায়িকার

দুদিন ধরে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে ঝুলছে তালা, দেখা নেই কর্মী ও সহায়িকার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৩ জুলাই : গ্রামে রয়েছে ইট বালির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার। পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার কথা থাকলেও মিলছে শুধু মাত্র চাল ও ডাল। পড়াশুনা একেবারে লাটে উঠেছে। দুদিন ধরে তালা ঝুলছে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে মধ্যে। এর জন্য গ্রামবাসী দায়ী করলেন কৈলাসহরের টিলাবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়বন্দ গ্রামের আজিজুন নেছা চৌধুরী স্মৃতি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকাকে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থাকলেও প্রায়ই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি বন্ধ থাকে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি প্রায়ই বন্ধ থাকার ফলে গ্রামের শিশুরা পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীর উপর গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আছে। তারা আরো জানায়, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিন ধরে বড়বন্দ গ্রামের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি বন্ধ। বড়বন্দ গ্রামের আজিজুন নেছা চৌধুরী স্মৃতি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কর্মী ও সহায়িকা কেউই না আসায় প্রতিদিন গ্রামের শিশুরা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসার পর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ দেখে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে শিশুরা। এবং অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটি থেকে ডিম, বিস্কুট, দুধ, কলা, ছানা ইত্যাদি মিলছে না শিশু ও এলাকার গর্ভবতী মহিলাদের। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের না খাইয়ে খাবার লুটপাট করছেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী এবং সহায়িকা। টিলাবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচ নং ওয়ার্ডের বড়বন্দ গ্রামের আজিজুন নেছা চৌধুরী স্মৃতি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি গৌরনগর ব্লকের চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসারের তত্ত্বাবধানে থাকলেও নিয়মিত ভাবে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি পরিদর্শন করা হয় না বলেই বড়বন্দ গ্রামের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি বন্ধ থাকে।

কারণ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসারের পরিদর্শন নিয়মিত ভাবে করলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দিদিমণি এবং সহায়িকা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি বন্ধ রাখতে পারেন না। সরকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য পাকা ঘরও নির্মান করে দিয়েছেন। সরকার নিয়মিত ভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং সহায়িকাকে বেতনও দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নিয়মিত ভাবে খোলা হয় না। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি খোলতে সমস্যা হলে তাদের পরিবারে শিক্ষিত মানুষ রয়েছেন। দপ্তর বললে তারা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি নিয়মিত ভাবে খুলে এলাকার কচিকাঁচাদের পড়াশোনার দিকে নজর দেবে। অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটির দায়িত্ব থাকা সিডিপিও কুম্ভনিদ্রায় রয়েছেন। খবর প্রকাশের পর এখন দেখার কুম্ভনিদ্রায় ভাঙ্গে কিনা সিডিপিও -র।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য