Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যবামেদের মিছিলে গেরুয়া বাহিনীর সন্ত্রাস, অভিযোগ সিপিআইএমের

বামেদের মিছিলে গেরুয়া বাহিনীর সন্ত্রাস, অভিযোগ সিপিআইএমের

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৪ জানুয়ারি :  বুধবার গেরুয়া বাহিনীর বিক্ষিপ্ত সন্ত্রাসের ঘটনায় আহত সিপিআইএম -এর বহু কর্মী। বিজেপি আতঙ্কিত হয়ে এ ঘটনা গুলি সংঘটিত করছে। বিজেপি এগুলি করার পেছনে মূলত কারণ হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তারা পুরোপুরি ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণ তাদের কাছে হিসেব চাইছে। তাই এই সন্ত্রাস করে বিজেপি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। বুধবার সন্ধ্যায় সিপিআইএম জেলা কমিটির কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ঘটনা গুলির বিষয়ে বিস্তারিত জানান সিপিআইএম পশ্চিম জেলা কমিটির সম্পাদক রতন দাস। তিনি জানান এদিন

সকালে ডুকলি মহকুমা কমিটির পক্ষ থেকে প্রতাপগড় বাজার থেকে সিপিআইএমের একটি পদযাত্রা সংঘটিত হয়। পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সকাল আটটায় যথারীতি মিছিলটি শুরু হয়ে সাধু টিলা স্কুল সংলগ্নে আসতেই লাঠি, বাঁশ, কাঠের টুকরো নিয়ে আক্রমণ সংগঠিত করে শাসক বলে দুর্বৃত্তরা। পুলিশকে ভেদ করে এই দিনের সিপিএমের মিছিলের উপর হামলা চালায় তারা। পরবর্তী সময় ৪২ নং ওয়ার্ড এলাকায় আসতেই দুর্বৃত্তরা আবার আক্রমণ চালায়। সিপিএমের মিছিলকে উদ্দেশ্য করে শাসকদলের আশ্রিত দূর্বৃত্তরা ইট পাটকেল দিয়ে ঢিল ছুটতে শুরু করে।

কিন্তু কোনক্রমে পুলিশের সহযোগিতা সেই জায়গা থেকে মিছিলটি অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। মিছিলটি আবারো কিছুটা পথ এগিয়ে যেতেই শাসক দলের দুর্বৃত্তরা মার মুখী হয়ে সামনে এসে রুখে দাঁড়ায়। কোনক্রমে সেখান থেকেও মিছিল নিয়ে প্রতাপগড় দলীয় অফিসের সামনে গেলে সেখানেও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ তুলেন। পরবর্তী সময়ে দলীয় কর্মীরা বাড়ি ফেরার আগেই তাদের বাড়ির ঘরে আক্রমণ শুরু করে বিজেপি দুর্বৃত্তরা। এবং রাস্তা দিয়ে যাওয়া সুশান্ত আচার্য নামে এক বি এল ও -কে আক্রমণ করে দুর্বৃত্তরা। তারপর শ্যামল দাস নামে এক কর্মী বাড়ি ফেরার সময় তার উপরও আক্রমণ চালায় শাসক দলের দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন স্থানীয় নেত্রী তথা ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, ৪২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ভবতোষ দাস, শ্যামল বসাক, বিজেপির বুথ সভাপতি প্রদীপ বসাক, সমরেন্দ্র লোধ। একইভাবে নরসিংগড় ভাগলপুর নতুন পল্লী এলাকায় বাইক বাহিনী গিয়ে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ সংগঠিত করে। ঘটনায় আহত হয় চন্দন দেব, কাজল কর, অর্জুন বীম, স্বপন নাগ। পরবর্তী সময় তারা কোনক্রমে সিপিআইএম অফিসে গিয়ে প্রান রক্ষা করতে সক্ষম হয়। এদিনের বাইক বাহিনীতে নেতৃত্ব দেয় রবীন্দ্র চক্রবর্তী এবং রাজীব দেব। শেষ পর্যন্ত তারা নরসিংগড় অঞ্চল কমিটির অফিসটি ঘেরাও করে মারমুখী আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করা। শেষ পর্যন্ত নরসিংড়ের সিপিআইএম কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে হলে পালিয়ে যায় বাইক বাহিনী বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন শাসক দল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হবে বুঝতে পেরে এ ঘটনা সংগঠিত করছে। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন উপস্থিত ছিলেন ডুকলি মহাকুমা কমিটির সম্পাদক নারায়ণ দেব সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য