স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৩০ ডিসেম্বর : পর্যটকদের ভ্রমণের সুবিধার্থে ডম্বুর স্থিত নারিকেল কুঞ্জ ও ঊনকোটিতে হেলিকপ্টার পরিষেবা তথা হাওয়াই সফর চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারকেলকুঞ্জে জনপ্রতি ২৩০০ টাকা এবং ঊনকোটিতে ২৫০০ টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। প্রতিটি সফরে চারজন যাত্রী হওয়া আবশ্যক। প্রয়োজনে এই পরিষেবা স্থগিত রাখা হতে পারে। শুক্রবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ বিষয়ে জানান পর্যটন এবং পরিবহন দপ্তরের সচিব ইউ কে চাকমা। ঊনকোটি পর্যটন কেন্দ্রকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি করার লক্ষ্যে ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের প্রস্তাব অনুযায়ী ইউ এন ই এস সি ও ইতিমধ্যে ঊনকোটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সিট হিসেবে ঘোষণা জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকা ভুক্ত করেছে। এর মর্যাদা লাভ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি জানান, দেশ-বিদেশে পর্যটকদের কাছে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রাকৃতিক পরিবেশে বান্ধব গন্তব্যস্থল অত্যাধুনিক ৪৯ টি ব্লক হাট নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সিপাহীজলা অভয়ারণ্য, টেপানিয়া, আমবাসা, বড়মুড়া ইকোপার্ক নারকেল কুঞ্জে ৩১ টি লগহাট চালু করা হয়েছে। এর জন্য ধার্য করা হয়েছে ১৭ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা। রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র নীরমহলকে ঢেলে সাজানোর জন্য স্বদেশ দর্শন -১ প্রকল্পের মাধ্যমে ওয়াচ টাওয়ার, টিকেট কাউন্টার, পার্কিং, গ্যালারি সেড, টুরিস্ট ফেসিলিটেশন সেন্টার এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আরো জানান পর্যটকদের বিনোদনের জন্য ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক উজ্জয়ন্ত পেলেসে লাইট এবং সাউন্ড পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে ৮ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছেন বলে জানান সচিব। আগরতলা স্মার্ট সিটিকে কাছে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুব সহসাই লাইট এবং সাউন্ড পরিষেবা চালু হবে। পাশাপাশি দপ্তরের সচিব আরও জানান পর্যটকদের সুবিধার্থে ৮ নং জাতীয় সড়কের পাশে বিশালগড় ও শান্তিরবাজারে ওয়েবসাইট অ্যামিনিটি নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো তৈরি করতে পারে ৬১ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান দপ্তরের সচিব।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান