Tuesday, October 6, 2026
বাড়ি রাজ্য পাহাড়ে পথ চলা শুরু করেছে কংগ্রেস, পুর নির্বাচনে একা লড়বে কংগ্রেস : সুদীপ

পাহাড়ে পথ চলা শুরু করেছে কংগ্রেস, পুর নির্বাচনে একা লড়বে কংগ্রেস : সুদীপ

পাহাড়ে পথ চলা শুরু করেছে কংগ্রেস, পুর নির্বাচনে একা লড়বে কংগ্রেস : সুদীপ

 

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ অক্টোবর : রাজ্যে অভিমান নাকি অভিনয়ের রাজনীতি করছে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস? একের পর এক নির্বাচন একাই লড়াই করছে দুই দল ময়দানে শক্তির পরিমাপ করছে? যা আগামী দিনে লড়াই কৌশলের অন্যতম অংক হতে পারে। মঙ্গলবার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, নির্দল নিয়ে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা বেড়ে ২০ থেকে ২২ টি হবে। কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল থেকে তারা খুব শীঘ্রই কংগ্রেস দলে যোগদান করবে। তিপরা মথা ৭৪.৬২ শতাংশ আসনে জয়লাভ করেছে।

 বিজেপি ১৮.৭ শতাংশ আসনে জয়লাভ করেছে। সেই কারণে লজ্জার ডাকতে বিজেপি বলছে এনডিএ -র জয় হয়েছে। কিন্তু তিপরা মথা বলছে তিপরা মথা জয় পেয়েছে। অপরদিকে আইপিএফটি ০.৭১ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছে আইপিএফটি। তিনি বলেন কংগ্রেস দলের মূল্যায়ন করতে গেলে বলা যায়, পাহাড়ে কংগ্রেস সবসময়ই পরনির্বশীল ছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট হয়ে লড়াই করেছে বিগত দিনে। কংগ্রেস সবেমাত্র পাহাড়ে হাটতে শুরু করেছে। আগামী দিন কিছু করে দেখাতে পারবে। এমনটাই আশা ব্যক্ত করেন তিনি। এদিকে বামেরা ১.৮৯ শতাংশ আসনে জয়লাভ করতে পেরেছে। ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের ফলাফল কংগ্রেসের জন্য নতুন করে রাজনৈতিক পথচলার সূচনা।

মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই বললেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি বলেন বামেরা একা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচন একা লড়েছে। আলোচনা করে নি। কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিগত দিনের নির্বাচনে রামনগর, বক্সনগর, ধনপুর প্রার্থী দেয় নি। ধর্মনগর উপনির্বাচনেও কোনরকম আলোচনা ছাড়া অগ্রিম প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে সিপিআইএম। তারপর ভিলেজ কমিটির নির্বাচনে একা লড়াই করেছেন। এখন পৌরসভার নির্বাচন বামেরা একা লড়াই করুক, কংগ্রেসও একা লড়াই করবে। যেমন ইন্ডিয়া জোট জাতীয় স্তরে গঠন করা হয়েছে, রাজ্যস্তরের নয়। এসআইআর নিয়ে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, বাংলাদেশিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাক আপত্তি নেই। কিন্তু শাসক দলকে মাইলেজ দেওয়ার জন্য বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। আর এমন বাদ দেওয়ার চেষ্টা করলে কংগ্রেস ছাড়বে না। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে দুমাস ব্যাপী রাজ্য স্তরে, জেলা স্তরে এবং ব্লক করে আন্দোলন শুরু হবে। ৮ অক্টোবর রাজ্যে জেলা শাসক কার্যালয়ে ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কংগ্রেস। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভোট চোরদের দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরে যেতে হবে, নাহলে বরখাস্ত করতে হবে। যেসব প্রশাসনিক আধিকারিক এস আই আর -এর দায়িত্বে রয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন এমন কোন কাজ করবেন না যাতে খেসারত দিতে হয়। তিনি বলেন কংগ্রেস সহ সবকটি রাজনৈতিক দল নিজেদের আত্মবিশ্লেষণ করে আগামী দিন দুর্বলতা দিকগুলি সংশোধন করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha