স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা,
১৯
সেপ্টেম্বর : বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়ার সাম্প্রতিক মন্তব্য
এবং বিসিসিআই-এর বার্ষিক সাধারণ সভার অবস্থান ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (টিসিএ)
শাসন ব্যবস্থা ও কর্মকর্তাদের যোগ্যতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। আগামী ২৭
অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে বিসিসিআই তার অবস্থান স্পষ্ট করার পর টিসিএ-এর শাসন কাঠামো
ও সাংবিধানিক বিধানের আনুগত্য নতুন করে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
মূলতঃ টিসিএ'র
শাসন ব্যবস্থা এবং সভাপতি পদে তপন লোধের পদে থাকা নিয়ে নতুন করে আইনি প্রশ্ন ও বিতর্ক
তৈরি করেছে। ন্যাশনাল স্পোর্টস গভর্ন্যান্স অ্যাক্ট পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত
ক্রিকেট বোর্ডগুলো তাদের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ীই পরিচালিত হবে। এর ফলে টিসিএ-এর বর্তমান
নেতৃত্বের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি এখন তীব্র স্ক্রুটিনির মুখে পড়েছে।
বিসিসিআই
তার বার্ষিক সাধারণ সভা বর্তমান সংবিধান অনুসারেই পরিচালনা করেছে। এর অর্থ হলো রাজ্য
অ্যাসোসিয়েশন গুলোকেও নতুন আইন বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের আগে পর্যন্ত তাদের নিজস্ব
বর্তমান সংবিধান মেনে চলতে হবে।
টিসিএ সভাপতি
তপন লোধের বিসিসিআই নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা নিয়ে এর আগেই অভ্যন্তরীণভাবে
চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল, যা এখন আবার বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।ত্রিপুরা ক্রিকেট মহলে
টিসিএ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক সম্পদ পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে, তবে তা
প্রমাণের জন্য এখনো আইনি সিদ্ধান্তের প্রয়োজন।আগামী ২৭ অক্টোবর বিসিসিআই এই বিষয়ে সুপ্রিম
কোর্টে তাদের বিস্তারিত স্পষ্টীকরণ জমা দেবে, যার ওপর টিসিএ-এর ভবিষ্যৎ শাসন কাঠামো
নির্ভর করছে।
ত্রিপুরা
ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে ফ্লাডলাইট কেনাকাটায় প্রায় ১২ থেকে ১৬ কোটি টাকার আর্থিক
দুর্নীতির অভিযোগ এবং পুলিশের তদন্ত চলছে। এছাড়াও, সুপ্রিম কোর্টের লোধা কমিটির সংস্কার
ও বয়সসীমার নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে টিসিএ সভাপতি তপন লোধের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছে বিসিসিআই ওমবুডসম্যান।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান