স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা,
১৯
সেপ্টেম্বর : দুর্গাপূজা
আসতেই
পুরনো
গুন্ডাগিরির
চেহারা
সামনে
উঠে
আসে
রাজধানীর
দশমী
ঘাট
ক্লাবের।
প্রতিবছর
দর্শনার্থী,
গাড়ি
চালক
থেকে
শুরু
করে
সাধারণ
মানুষের
উপর
তাণ্ডব
চালায়
এই
দশমীঘাট
ক্লাব।
এই
ক্লাব
প্রাঙ্গনে
অবস্থিত
রাজ্যের
প্রধান
দশমী
ঘাট।
প্রতিবছর
হাজার
হাজার
প্রতিবছর
নিরঞ্জন
হয়
এই
দশমি
ঘাটে।
কিন্তু
পূজা
আসতেই
ক্লাবের
গুন্ডারা
মানুষকে
টার্গেট
করে
মোটা
অর্থ
আদায়
করার
ধান্দা
খোঁজে
বলে
অভিযোগ।
এবার
গাড়ি
চালকের
সঙ্গে
সংঘটিত
হলো
শুক্রবার
রাতে।
রাতের
অন্ধকারে
দশমীঘাটে
গাড়ি
চালককে
মারধরের
অভিযোগ।
অভিযোগ,
স্থানীয়
এক
ক্লাবের
সম্পাদক
সহ
কয়েকজন
দুর্বৃত্তের
মত
গাড়ি
চালকের
উপর
ঝাপিয়ে
পড়ে
আক্রমণ
সংগঠিত
করেছে।
ঘটনায়
গুরুতর
আহত
অবস্থায়
ওই
গাড়ি
চালক।
তাকে
উদ্ধার
করে
হাসপাতালে
ভর্তি
করা
হয়
বলে
জানান
পরিবারের
লোকজন।
পরিবারের
লোকজনদের
বক্তব্য,
শুক্রবার
রাত
আনুমানিক
১০
টা
নাগাদ
চারিপাড়া
এলাকার
বাসিন্দা
গাড়িচালক
জলফু
মিয়া
মাঙ্গলিক
সামাজিক
সংস্থার
প্রতিমা
বিসর্জনের
জন্য
গাড়ি
নিয়ে
দশমীঘাটে
যান।
প্রতিমা
গাড়ি
থেকে
নামানোর
পর
গাড়িটি
ব্যাক
গিয়ার
দেওয়ার
সময়
সেখানে
উপস্থিত
ক্লাব
সম্পাদক
মিঠুনের
শরীরে
লাগে।
তারপর
গাড়ি
চালককে
গাড়ি
থেকে
নামিয়ে
দশমীঘাট
ক্লাব
প্রাঙ্গনে
নিয়ে
যাওয়া
হয়।
সেখানে
কয়েকজন
যুবক
তাকে
হাত-পা বেঁধে
মারধর
করে
বলে
অভিযোগ।
এমনকি
তার
কাছ
থেকে
নগদ
পাঁচ
হাজার
টাকা
এবং
মোবাইল
ফোন
লুটপাট
করে
নেয়।
পরিবারের
দাবি,
রাত
প্রায়
দেড়টার
নাগাদ
ওই
গাড়ি
চালককে
নদীর
পাড়
থেকে
অচৈতন্য
অবস্থায়
উদ্ধার
করে
পুলিশ।
এরপর
তাকে
প্রথমে
আগরতলার
আইজিএম
হাসপাতালে
নিয়ে
যাওয়া
হয়।
পরে শারীরিক
অবস্থার
অবনতি
হওয়ায়
তাকে
টিএমসি
হাসপাতালে
এবং
সেখান
থেকে
আগরতলা
জিবি
হাসপাতালে
স্থানান্তর
করা
হয়।
ঘটনার
পর
পশ্চিম
আগরতলা
থানায়
গিয়ে
অভিযোগ
দায়েরের
করেন
আহত
গাড়ি
চালকের
পরিবার।
অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণ
এবং
ঘটনার
সুষ্ঠু
তদন্তের
দাবি
জানিয়েছেন
তারা।
পাশাপাশি
মুখ্যমন্ত্রীর
কাছেও
ন্যায়বিচারের
আবেদন
জানিয়েছে
পরিবার।
গত
কয়েক
বছর
আগে
ক্লাবে
পুরনো
কমিটি
ভেঙে
নতুন
কমিটি
গড়ার
পর
থেকেই
উচ্ছৃঙ্খলতা
কয়েকগুন
বেড়ে
গেছে
বলে
অভিযোগ।
অথচ
এই
ক্লাব
গুলির
উপর
ভরসা
করে
রাজ্য
সরকার।
বিভিন্ন
অনুষ্ঠানে
গিয়ে
দাবি
করে
রাজ্যের
ক্লাব
সংস্কৃতি
নাকি
পরিবর্তন
হয়েছে।
কিন্তু
দশমী
ঘাট
ক্লাবের
মুখোশের
আড়ালে
ভয়ানক
চেহারা
সম্পর্কে
সকলে
অবগত
আছেন।
প্রতিবছর
এ
ধরনের
গুন্ডা
গিরির
আশ্রয়
নিয়ে
পরবর্তী
সময়
পশ্চিম
থানার
পুলিশকে
ম্যানেজ
করেন
ক্লাবের
সদস্যরা।
এলাকার
এক
তাঁবড়
নেতা
এই
কতিপয়
গুন্ডাদের
সহযোগিতা
করেন
বলে
অভিযোগ
রয়েছে
এলাকায়।
এলাকাবাসীর
কাছ
থেকে
মোটা
অংক
আদায়
করে
সেই
অর্থ
দিয়ে
ম্যানেজ
করেন
উপমহল।
এমনটাই
অভিযোগ
এলাকায়
কান
পাতলে
শোনা
যায়।
নাহলে
এমন
ঘটনা
সংঘটিত
করে
পার
পেয়ে
যাওয়ার
কথা
নয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান