স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা, ১৯ সেপ্টেম্বর : সরকার পক্ষের আইনজীবী জানান ২০২৫ সালের ৪ মার্চ বিএসএফ ৮১ নং বাহিনীর কুলুবাড়ী বিওপির দুই বিএসএফ জওয়ান সীমান্তে টহলদারি চালানোর সময় সন্দেহ জনক বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার বনগাঁও-এর বাসিন্দা মুজাহিদ মিয়াকে আটক করে। সাথে সাথে বাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট সুনীল বোড়া এবং সোনামুড়া থানার ইন্সপেক্টর শুভঙ্কর দেববর্মাকে খবর দেওয়া হয়।
তারা সীমান্তে গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল, ১২ কেজি শুকনো গাজা এবং নগদ ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা উদ্ধার করে। পরবর্তী সময় ধৃত যুবককে উদ্ধার হওয়া নেশা সামগ্রী সহ সোনামুড়া থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এবং তার বিরুদ্ধে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট সুনীল বোড়া সোনামুড়া থানার ওসি জয়ন্ত দে-র নিকট একটি মামলা দায়ের করেন। যার তদন্তভার দেওয়া হয় এস.আই জগবন্ধু দেবনাথকে। মামলার তদন্তকারী অফিসার জগবন্ধু দেবনাথ ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
তারপর দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় ২২ জন সাক্ষির সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ করা হয়। আদালতে চূড়ান্ত শুনানি শেষে অভিযুক্তকে দোষে সাব্যস্ত করেন বিচারক। একই সাথে একাধিক ধারায় আসামির বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করেন। পাসপোর্ট এক্টে আসামীকে দুই বছরের কারাদণ্ড সহ ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও একমাস অতিরিক্ত জেলের নির্দেশ দেন বিচারক। ২০ বি ২ বি ধারায় ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাস অতিরিক্ত জেল। এবং ২১ সি ধারায় ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করেন বিচারক। আদালতে সরকার পক্ষের হয়ে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী গৌতম গিরি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান