স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১১ সেপ্টেম্বর : ৩ মাস ১১ দিনের শিশুকন্যার
অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে শাশুড়ি এবং জামাতার ঝগড়ায় উত্তেজিত হয়ে উঠল জিবি হাসপাতাল।
শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালের মর্গে ব্যাপক হলস্থুল কান্ড সংগঠিত হলো। শিশু কন্যার পিতা
জয় চক্রবর্তীর দাবি তার মেয়েকে শশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে। ঘটনার
বিবরণের জানা যায়, গত ২৯ জুন তার মেয়ের ব্রর্ত্য অনুষ্ঠিত হয় জুয়েল ক্লাব সংলগ্ন
নিজ বাড়িতে। পরের দিন জয় চক্রবর্তীর শ্বশুরবাড়ি লোকজন তার বাড়িতে গিয়ে স্ত্রী
এবং সন্তানকে নিয়ে আসে শ্বশুরবাড়িতে। কি কারনে পিতার অনুপস্থিতিতে মেয়েকে এভাবে
বাড়ি থেকে আনা হলো সে বিষয়ে জানতে চাইলে বলা হয় জয় চক্রবর্তী মা ছেলের বউয়ের সঙ্গে
ঝামেলা করেন।
তাই মা-র সঙ্গে থাকলে স্বামীর সঙ্গে সংসার করবেন
না। পরবর্তী সময়ে এলাকার নেতা ক্লাব থেকে শুরু করে বহু বয়জেষ্ঠর মাধ্যমে সমস্যার
সমাধান হয়নি। গত তিন মাস ধরে পিতার আদর থেকে শিশু কন্যাকে বঞ্চিত রেখেছিল। বৃহস্পতিবার
ভোর চারটা ৪৮ মিনিটে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফোন করে বলেন আইজিএম হাসপাতালে আসার জন্য।
আইজিএম হাসপাতাল আসার পর দেখেন তার শিশু কন্যার মৃতদেহ। শশুর বাড়ির লোকজনদের কাছ থেকে
জানতে চাইলে সঠিক ভাবে মৃত্যুর কারণ দেখাতে পারেনি। তবে দাবি করেছেন শ্বাসটানে মৃত্যু
হয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল, তার শিশুকে মুখ কালো হয়ে গিয়েছিল। পরিকল্পিত খুন
বলে দাবি করেন শিশু কন্যার বাবা।
শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করবেন
বলে জানিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো সুমন আচার্যী। সুমন আচার্যী হলেন, তার স্ত্রী
উর্মি আচার্যীর বোনের স্বামী। অভিযুক্ত সুমন তার স্ত্রীকে এবং শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে
নিয়ে এসেছিল। কিভাবে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে তার সুষ্ঠু তদন্ত করতে দাবি করেন তিনি।
এদিকে শাশুড়ি এবং জামাতার মধ্যে খুনের অভিযোগ ঘিরে তুমুল ঝগড়া হয়। শেষ পর্যন্ত উত্তেজিত
শাশুড়িকে মহিলার সিকিউরিটি গার্ডেরা হাসপাতালে মর্গ থেকে বের করে দেয়। পরে মৃতদেহ
ময়না তদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান